হার্ট এটাকের পর করণীয় (ডায়েট রিলেটেড)

হার্ট এটাকের পর যাবতীয় চিকিৎসা শেষে রোগী হাসপাতাল থেকে যখন বাসায় আসেন তখন শারীরিক ও মানসিক উভয় দিক থেকেই নাজুক থাকেন। তার মনোবল যেন ভেঙ্গে না পরে সেদিকে পরিবারের সদস্যদের নজর রাখতে হবে। সেই সাথে রোগীর খাবার তালিকার দিকেও বিশেষ মনযোগ দিতে হবে।সাধারনত ডাক্তাররা একটা গাইড লাইন দিয়ে দেন। ডাক্তারের পরামর্শ তো অবশ্যই মেনে চলতে হবে, সেই সাথে আরও ছোট খাট কোন বিষয় গুলোতে লক্ষ্য রাখতে হবে তা আজকে শেয়ার করব।


১.হার্ট এটাকের পর প্রথম কয়েক দিন কম ক্যালরীর খাবার দিতে হবে। রোগীর অবস্থার উন্নতির সাথে সাথে ক্যালরীর পরিমান ধীরে ধীরে বাড়াতে হবে। তবে রোগী যদি স্থুল হলে ক্যালরী গ্রহণের পরিমান কম হওয়াই বাঞ্ছণীয়।
২.নিয়ন্ত্রিত পরিমানে ডিম দেয়া যেতে পারে।
৩.ননীবিহীন দুধ দেয়া যেতে পারে, কারণ এতে কোলেষ্টেরল হ্রাসকারী প্রভাব রয়েছে।
৪.Saturated Fat total calorie’র ১০% এর কম খেতে হবে।
৫.মৃদু সোডিয়াম (2 gm/day) অনুমোদন করা হয়েছে।
৬.খাবারে Complex carbohydrate এর পরিমান বাড়াতে হবে।
৭.Refined ও processed sugar গ্রহনের পরিমান কমাতে হবে।
৮.আশঁ জাতীয় খাবার দৈনিক মেনুতে রাখুন।
৯. Omega-3 fatty acid সমৃদ্ধ খাবার যথা সম্ভব খাবার তালিকায় রাখতে হবে।
১০.খাবার নরম ও অল্প পরিমানে বাড়ে বাড়ে দিতে হবে।
১১.যেসব খাবার সহজে হজম হয় না তা বর্জন করতে হবে।
১২.যেসব পানীয়তে ক্যাফেইন আছে তা বাদ দিতে হবে।
১৩.দুধ ছাড়া চা (black tea), পেয়াজ,রসুন, আপেল হৃদরোগ প্রতিরোধে বিশেষ কার্যকরী ।তাই রোগীর খাবারে এসব রাখতে হবে।
১৪.Vitamin A,C,E Antioxidant হিসেবে কাজ করতে পারে।প্রতিদিন ২ serving ফল ও ৩ serving সবজি খেলে Antioxidant এর চাহিদা পূরণ হবে।
১৫.গ্যাস উৎপাদনকারী খাবার বাদ দিতে হবে। কারণ গ্যাস উৎপন্ন হলে হৃদপিন্ডে অতিরিক্ত চাপ পরতে পারে।

সর্বোপরি উদ্ভুত নতুন পরিস্থিতিতে মানিয়ে নিতে পরিবারের সবাইকে সাহায্য করতে হবে।

 

Please Share:

Related posts

Leave a Comment