বিশেষ শিশুদের জন্য ‘আইএনডিআর’এর সাইকোলজিক্যাল এসেসমেন্ট ও কাউন্সেলিং সেবা

বিশেষ শিশুদের জন্য ‘আইএনডিআর’এর  সাইকোলজিক্যাল এসেসমেন্ট ও কাউন্সেলিং সেবা [স্বাস্থ্য বাংলা ডেস্ক] ইন্সটিটিউট অব নিউরো ডেভলপমেন্ট এণ্ড রিসার্চ’ অটিজম, সেরিব্রাল পালসি, বুদ্ধি প্রতিবন্ধি   প্রভৃতি  বিশেষ শিশু ও তাদের  বাবা, মায়ের   জন্য   সাইকোলজিক্যাল এসেসমেন্ট ও কাউন্সেলিং সেবা শুরু  করেছে । এখন থেকে  ঢাকার নিউ ইস্কাটনস্থ ‘আইএনডিআর’ সেন্টারে সাশ্রয়ী খরচে নিম্নোক্ত সেবা সমূহ  পাওয়া যাবে। ১। অটিজম / এডিএইচডি ইত্যাদির কনফার্মেটরি সাইকোলজিক্যাল এসেসমেন্ট। ২। বাচ্চার আচরণগত সমস্যার ধরন নিরুপণ। ৩। বাচ্চার বুদ্ধিমত্তা বা আই-কিউ লেভেল নিরুপণ। ৪। বাচ্চার সম্পুর্ন সাইকোলজিক্যাল প্রোফাইল তৈরি। ৫। বয়স অনুযায়ী বাচ্চা মানসিক ও মেধাগত দিক থেকে এগিয়ে…

Read More

শীতে ত্বকের যত্নঃ ডাঃ জান্নাতুল শারমীন জোয়ার্দার

শীতে ত্বকের যত্নঃ  ডাঃ জান্নাতুল শারমীন জোয়ার্দার শীতকালে শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে ত্বক হয়ে পড়ে শুষ্ক, খসখসে  ও রুক্ষ। কখনো বেড়ে যায় চুলকানি, কারও ত্বক ফেটে যায়, আবার কারো হয় সাদাটে। তাই শীতে ত্বকের যত্ন বেশী বেশী করতে হবে। শীতে ময়েশ্চারাইজার সমৃদ্ধ ক্রীম ব্যবহার করতে  হয়। খুব গরম পানিতে গোসল করলেও ত্বক রুক্ষ হয়। শীতের রোদ খুব মিষ্টি হলেও রোদে যাবার আগে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।  এক্ষেত্রে কম পক্ষে এসপিএফ-৩০  (SPF -30) মাত্রার সানস্ক্রিন লাগানো উচিৎ। ফলে ত্বক সুরক্ষিত থাকবে। অনেকে শীতে রুম হিটার ব্যবহার করেন, এতে ত্বক রুক্ষ হয়ে যায়। শীতে…

Read More

স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে আত্ন সচেতনতাই প্রধান হাতিয়ার – ডাঃ মোহাম্মদ মাসুমুল হক

স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে আত্ন সচেতনতাই প্রধান হাতিয়ার – ডাঃ মোহাম্মদ মাসুমুল হক স্তন ক্যান্সার কি? স্তন শরীরের অন্যান্য অংশের মতোই একটি অঙ্গ , যা অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কোষের সমন্বয় এ তৈরী। শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মতোই এই কোষ গুলো পূর্ব নির্ধারিত একটি সুনির্দিষ্ট নিয়মে বিভাজিত হয়। অনেক সময়ে বিভিন্ন কারণে কোষগুলো তাদের এই বিভাজনের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং এই অনিয়ন্ত্রিত বিভাজনের ফলে স্তনে একটি চাকা বা পিন্ড সৃষ্টি হয়, যা টিউমার নামে পরিচিত। এই টিউমার দুই ধরণের হয়, বিনাইন বা ‘ক্ষতিকারক নয়’ এবং ম্যালিগ্ন্যান্ট যা সাধারণ ভাবে ক্যান্সার নামে পরিচিত। স্তনের…

Read More

“গোলাপী ফিতার গল্প” – ডা. মোহাম্মাদ মাসুমুল হক

অক্টোবর স্তন ক্যান্সার সচেতনতা মাস আর এই স্তন ক্যান্সারের প্রতীক গোলাপী রিবন, এটা হয়তো অনেকেই জানি।কিন্তু এর পিছনের ইতিহাস জানা আছে? এই গোলাপী ফিতার জন্ম কোথায়,কিভাবে,চলুন জেনে নেয়া যাক। ১৯৮৫ সালে American Cancer Society এবং Imperial Chemical Industries এর যৌথ উদ্যোগে প্রথমবারের মতো অক্টোবর মাসকে জাতীয় ব্রেস্ট ক্যান্সার সচেতনতা মাস হিসাবে ঘোষণা করেন। ব্রেস্ট ক্যান্সার নিয়ে সচেতনতা এবং প্রাথমিক পর্যায়ে সনাক্তকরণ এর উপর গুরুত্ব আরোপ করাই ছিলো এর উদ্দেশ্য। ক্যালিফোর্নিয়ার এক বয়স্কা মহিলা Charlotte Haley ( উনার বোন, মেয়ে এবং নাতনিকে এই ঘাতক ব্যাধীতে হারান) ব্রেস্ট ক্যান্সার গবেষণার জন্য অর্থ সংগ্রহের ও জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণের উদ্দ্যেশে প্রথমবারের মতো পীচ্…

Read More

মেয়েদের ঋতুচক্র বা মাসিক

প্রতি চন্দ্রমাস পরপর হরমোনের প্রভাবে পরিণত মেয়েদের জরায়ু চক্রাকারে যে পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যায় এবং রক্ত ও জরায়ু নিঃসৃত অংশ যোনিপথে বের হয়ে আসে তাকেই ঋতুচক্র বলে। এর তিনটি অংশ, ১মটি চারদিন স্থায়ী হয় (৪-৭ দিন) এবং একে মিনস্ট্রাল ফেজ, ২য়টি ১০দিন (৮-১০ দিন) একে প্রলিফারেটিভ ফেজ এবং ৩য়টি ১৪ দিন (১০-১৪ দিন)স্থায়ী হয় একে সেক্রেটরি ফেজ বলা হয়। মিনস্ট্রাল ফেজ এই যোনি পথে রক্ত বের হয়। ৪-৭ দিন স্থায়ী এই রক্তপাতে ভেঙ্গে যাওয়া রক্তকনিকা ছাড়াও এর সাথে শ্বেত কনিকা, জরায়ুমুখের মিউকাস, জরায়ুর নিঃসৃত আবরনি, ব্যাকটেরিয়া, প্লাজমিন, প্রস্টাগ্লানডিন এবং অনিষিক্ত…

Read More

সন্তানের জন্ম — ৩৯-৪১ সপ্তাহ পর ঝুঁকি কম

নানা কারণে নির্ধারিত সময়ের খানিক আগেই অস্ত্রোপচার বা প্রসবব্যথা ত্বরান্বিত করার ওষুধের মাধ্যমে সন্তানের জন্ম দেওয়া হয়। এত দিন ধারণা ছিল যে মায়ের গর্ভে ৩৪ বা ৩৬ সপ্তাহ থাকার পর সন্তানের জন্ম স্বাভাবিক প্রসব হওয়ার মতোই নিরাপদ। কিন্তু মার্কিন বিজ্ঞানীরা কয়েক বছর দুই উপায়ে জন্ম নেওয়া নবজাতকদের ওপর গবেষণা চালিয়ে বলছেন ভিন্ন কথা। ৩৯-৪১ সপ্তাহ মায়ের গর্ভে থাকার পর জন্ম নেওয়া নবজাতকদের অসুস্থতার ঝুঁকি সবচেয়ে কম। এর আগে জন্ম নেওয়া নবজাতকেরা ৯২ শতাংশ বেশি রক্তে শর্করাস্বল্পতায় ভোগে, ৯৩ শতাংশ বেশি শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় চিকিৎসা লাগে, ৬৮ শতাংশ বেশি শিরায় স্যালাইন দেওয়ার…

Read More

ডায়াবেটিক নারীদের মা হওয়ার প্রস্তুতি

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত প্রজননক্ষম রোগীদের মধ্যে প্রায় অর্ধেক হচ্ছেন নারী। গর্ভকালীন ২ থেকে ৫ শতাংশ নারী ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে পারেন। এঁদের মধ্যে ৮৭ দশমিক ৫ শতাংশ মা গর্ভজনিত ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন এবং ১২ দশমিক ৫ শতাংশ মা গর্ভধারণের আগে থেকেই ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন।যেসব ডায়াবেটিক নারী সন্তান ধারণ করতে ইচ্ছুক, তাঁদের জন্য প্রয়োজন অতিরিক্ত সতর্কতা ও সঠিক পূর্বপ্রস্তুতি। কেননা, ডায়াবেটিসজনিত বিভিন্ন জটিলতা যেমন রেটিনা-কিডনি-স্নায়ু-রক্তনালির রোগ গর্ভকালীন জটিলতর হতে পারে। যাঁদের শর্করা নিয়ন্ত্রিত নয়, তাঁদের মধ্যে বিভিন্ন গর্ভকালীন জটিলতার ঝুঁকি বেশি। যেমন: গর্ভপাত, প্রি-একলাম্পসিয়া, মেয়াদের আগেই প্রসব ইত্যাদি। মায়ের রক্তে উচ্চ শর্করা গর্ভের শিশুর…

Read More

গর্ভকালীন স্বাস্থ্য পরিচর্যা

গর্ভধারণ একটি স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় ব্যাপার। স্বাভাবিক হলেও এ সময় শরীরে কিছু পরিবর্তন ঘটে। সে জন্য গর্ভকালীন সময়ে কিছু সাধারণ স্বাস্থ্যসমস্যা দেখা দেয়। এগুলো তেমন উদ্বেগের বিষয় নয়, সহজেই এসবের সমাধান সম্ভব। তবে অনেক সময় বা অনেকের ক্ষেত্রে এসব সাধারণ সমস্যাও বেশ কষ্ট দেয়। গর্ভকালীন কয়েকটি সাধারণ স্বাস্থ্যসমস্যা সম্পর্কে আলোকপাত করা হলো: বমি বমি ভাব বা বমিদিনের শুরুতেই গর্ভবতীর বমি বমি ভাব হয় বা বমি হয়। প্রথম দিকে গর্ভ সঞ্চারের লক্ষণও এটি। দিনের অন্য যেকোনো সময়ও বমি বমি ভাব বা বমি হতে পারে। সাধারণত গর্ভকালীন মায়েদের প্রথম তিন মাস পর্যন্ত এ…

Read More

ফাস্ট ট্রাইমেস্টার বা প্রথম তিন মাস

কখন আপনি গর্ভধারনের জন্য সবচেয়ে বেশি তৈরি? সাধারনত আপনার পরবর্তী প্রিয়ডের ১৪ দিন আগে আপনার গর্ভধারনের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। এই দিনে শরিরের তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি থাকে ডিম্বপাতের কারনে। প্রতিদিন সকালে বিছানা থেকে উঠার আগে আপনি থার্মোমিটার দিয়ে তাপমাত্রা দেখেও বুঝতে পারেন আপনার গর্ভধারনের সম্ভাবনা কেমন।   শুক্রাণূ ও কিছু কথা প্রতি বীর্জপাতে একজন পুরুষ ২০০ মিলিয়ন থেকে ৫০০ মিলিয়ন শুক্রানু নির্গত করে থাকেন কিন্তু এদের মধ্যে মাত্র ১ টি শুক্রাণূ ডিম্বানুর সাথে মিলিত হতে পারে। শুক্রাণূর পরিমান কম থাকলে বা শুক্রানু পরিপক্ক না হলে গর্ভধারনে সমস্যা হতে পারে। ল্যাবরেটরিতে পরিক্ষার…

Read More

গর্ভধারনের চিহ্ন সম্পর্কিত কিছু কথা

আমি কি গর্ভবতী? অনেক নারি আছেন যারা প্রিয়ডের সময় পার হবার আগে বুঝতে পারেন না যে তিনি গর্ভধারন করেছেন। প্রিয়ড মিস হওয়াই গর্ভধারনের একমাত্র চিহ্ন নয়। আরও কিছু ব্যাপার প্রিয়ড মিস হওয়ার আগেও বোঝা যেতে পারে। এগুলো হল: অসুস্থ বোধ করা বা মাধা ঘুরা মুখে একটি অস্বাভাবিক ধাতব অনুভূতির স্বাদ স্তন কিছুটা স্ফিত হয়ে ওঠা ও স্পর্শকাতরতা বেড়ে যাওয়া পেটি ব্যাথা, কোষ্টকাঠিন্য ও ঘন ঘন প্রশ্রাবের বেগ পাওয়া বেশি শ্রাব নির্গত হওয়া কারও কারও সামান্য রক্তপাত হতে পারে যা অনেকেই প্রিয়ড বলে ভুল করে।   আমি গর্ভবতী কিনা পরিক্ষা করব…

Read More