হেমাচুরিয়া বলতে প্রসাবে রক্ত যাওয়াকে বোঝায়। এই রক্ত যাবার কারনে প্রসাবের রঙ ঘোলাটে দেখা যায় এবং কখনো কখনো তা গোলাপি বর্ণ ধারন করে। একজন সুস্থ্য মানুষের প্রসাবের সাথে কোনো রক্ত বা রক্ত কনিকা যাবেনা এটাই স্বাভাবিক। অবশ্য পরিনত সুস্থ্য মেয়ে/মহিলাদের প্রসাবে শুধুমাত্র মাসিক ঋতু চক্রের সময় কিছু রক্ত কনিকা পাওয়া যাওয়াটা স্বাভাবিক বলে ধরে নেয়া হয়। হেমাচুরিয়া অনেক কারনে হতে পারে তবে প্রধানত এটা কিডনির এবং মুত্রনালির নানাবিধ সমস্যার কারনেই হয়ে থাকে। কিডনি এবং মুত্রথলিতে ইনফেকশন, পাথর, টিউমার, ক্যান্সার বা টিবি হলে প্রসাবে রক্ত কনিকা পাওয়া যেতে পারে, এছাড়া কিডনি…
Read MoreAuthor: sasthabangla
রেনাল ফেইলুর (Renal failure)
বৃক্ক বা কিডনির (kidney) কাজ মূলত চারটি। ১। মূত্র তৈরী ও তার মাধ্যমে শরীরের অপ্রয়োজনীয় বর্জ পদার্থ বের করে দেয়া, ২। শরীরের অতিরিক্ত পানি ও মৌল বের করে দিয়ে এদের ভারসাম্য রক্ষা করা, ৩। জরুরী কিছু হরমোন তৈরী করা এবং ৪। ভিটামিন ডি ও ক্ষুদ্র কিছু আমিষের বিপাক ঘটানো। কিডনি যখন প্রথম কাজ দুটি করতে ব্যর্থ হয় তখনরেনাল ফেইলুর হয়েছে বলে ধরে নেয়া হয়। রেনাল ফেইলুর দুই প্রকার। এর মধ্যে যেটি এক্যুট (acute) বা হঠাৎ করে হয় তার তীব্রতা কম এবং সময়মতো সঠিক চিকিৎসা করলে পুরোপুরি ভালোও হয়ে যেতে পারে। অন্যদিকে যেটি অনেক দিন ধরে ধীরে ধীরে হয় এবং ক্রমাগত চলতেই থাকে তাকে ক্রনিক (chronic) রেনাল ফেইলুর বলে। আসলে দুটি কিডনিরই উল্লেখযোগ্য অংশ কোনো কারনে স্থায়ীভাবেনষ্ট হয়ে গেলে তখন ক্রনিক রেনাল ফেইলুর হয়, এ রোগে কিডনি তার কাজ করার চারটি ক্ষমতাই হারায়, আর তাই এই রোগের পরিণতি ও বেশ খারাপ। ক্রনিক রেনাল ফেইলুর হলে রোগী খুব দুর্বল ও ক্লান্ত হয়ে যায়। রক্ত শূন্যতা দেখা দেয়া, অস্থি ক্ষয় হওয়া, উচ্চ…
Read Moreমোবাইল হবে এবার বিশ্বে স্বাস্থ্য উন্নয়নের অন্যতম হাতিয়ার
পশ্চিমা বিশ্বে মোবাইল ফোনের জনপ্রিয়তা খুব বেশি দিনের নয়। আর বাংলাদেশে এই সময়টা আরও কম। ইতিমধ্যে পৃথিবীর ৭০০ কোটি মানুষের প্রায় ৪৫০ কোটির হাতে পৌঁছে গেছে মোবাইল ফোনের সিম। আর বাংলাদেশের মতো তৃতীয় বিশ্বের একটি দেশে মোবাইলের ঘনত্ব এখন প্রায় শতকরা ৪০ ভাগ, অর্থাৎ প্রতি পাঁচজন মানুষের মধ্যে অন্তত দুজনের রয়েছে মোবাইল ফোন।এই মোবাইল ফোন প্রযুক্তি স্বাস্থ্য খাতের জন্য হতে পারে এক বিস্নয়কর ও কার্যকর হাতিয়ার। আর তাই চার দিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে মোবাইল ফোন ও উন্নত বিশ্ব স্বাস্থ্য।স্বাস্থ্যসংক্রান্ত…
Read Moreভিটামিন ট্যাবলেটের মিথ
সুস্থ থাকার জন্য ইউরোপে অ্যামেরিকায় ভিটামিন ট্যাবলেট খাওয়ার প্রবণতা খুব বেশি৷ এই ট্যাবলেট কিনতে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশনও প্রয়োজন হয়না৷ ইদানীং গবেষকরা এর উপকারিতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন৷ ডঃ নয়হাউজার অ্যামেরিকার সিয়াটেলের ফ্রেড হাচিনসন ক্যান্সার রিসার্চ সেন্টারের ক্যান্সার প্রতিরোধ কর্মসূচিতে কাজ করছেন৷ তিনি বলছেন: ‘‘ মাল্টিভিটামিন ট্যাবলেটে হয়ত দু ডজন উপাদান থাকতে পারে৷ কিন্তু টাটকা শাক সব্জি আর ফলে রয়েছে অন্য আরও শতাধিক উপকারী যৌগ৷ তার মানে একখানা মাল্টিভিটামিন ট্যাবলেট খেলে বহু উপকারী যৌগ থেকে বঞ্চিত হবে শরীর৷” .{module Google 486*60}. ১৯৭০-এর দশকে নোবেলজয়ী মার্কিন বিজ্ঞানী লাইনাস পলিং এরকম একটা…
Read Moreইন্টারনেটে টেলিমেডিক্স সুবিধা পেতে যাচ্ছেন নেপালীরা
নেপালে শুরু হতে যাচ্ছে ইন্টারনেট স্বাস্থ্য প্রযুক্তি সেবা৷দেশটির প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্য সুবিধা পৌঁছে দেয়ার নতুন পরিকল্পনার আওতায় গ্রামের রোগীরা শিগগির ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারবেন৷ নেপাল সরকার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই স্যাটেলাইট প্রযুক্তি ব্যাবহার করে ২৫টি জেলা হাসপাতালকে রাজধানী কাঠমান্ডুর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শের জন্যে সংযুক্ত করবেন৷ এই হাসপাতালগুলোর অধিকাংশই হিমালয়ের কাছাকাছি দুর্গম এলাকায় অবস্থিত৷ নেপালে এই ধরণের প্রকল্পের জন্যে এই প্রথম ব্যয় করা হচ্ছে ৩০ মিলিয়ন রুপি বা ৪ লাখ ডলার৷ দেশটির লাখ লাখ মানুষ এখনও এমন সব এলাকায় বাস করে, যেখানে এমনকি সড়ক যোগাযোগেরও কোন উপায় নেই৷…
Read Moreকিডনির অসুখ সারাতে টেলি মেডিসিন কার্যক্রম শুরু
দেশে কিডনি রোগীর সংখ্যা বাড়ছে আশঙ্কাজনক হারে। প্রতিবছর কিডনি বিকল হয়ে মারা যাচ্ছে কয়েক হাজার মানুষ। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, এদেশে প্রতি সাতজনে একজন কোনো না কোনো ধরনের কিডনি রোগে আক্রান্ত। তাই এ রোগে আক্রান্তদের চিকিৎসাসেবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে দেয়ার কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে কিডনি ফাউন্ডেশন টেলি মেডিসিন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কিডনি রোগীদের সরাসরি চিকিৎসাসেবা দেবেন। কিডনি রোগীরা গ্রামাঞ্চলে ঘরে বসে থেকে এই চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারবেন।বাংলাদেশের কিডনি রোগীর চিকিৎসা ব্যবস্থা, আক্রান্ত হওয়ার কারণ ও এ রোগ থেকে নিরাময়ে বর্তমান সময়ের আধুনিক চিকিৎসা সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরে কিডনি ফাউন্ডেশনের…
Read Moreএইডস
এইডস বর্তমান বিশ্বের বহুলপরিচিত একটি নাম এইডস (AIDS)৷ এটি একটি মরণব্যধি ৷ এইডস এর পুরো অর্থ একোয়ার্ড ইমিউন ডেফিসিয়েন্সি সিনড্রোম৷ এইডস এইচআইভি ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত রোগ৷ উন্নত অনুন্নত সকল দেশেই এইচআইভি আক্রান্ত হচ্ছে লক্ষ লক্ষ নারী, পুরুষ ও শিশু৷ বিশেষ করে ২০ থেকে ৪০ বছর বয়েসী মানুষ বেশি আক্রান্ত হয়৷ এইডস প্রথম শনাক্ত করা হয় আমেরিকাতে ১ঌ৮১ সালে৷ তবে প্রথম দেখা যায় ১ঌ৭০ সালের শেষদিকে আফ্রিকার বিষুবীয় অঞ্চলে এবং ১ঌ৭৮ সালে যুক্তরাজ্যে৷ এইচআইভি ভাইরাস রক্তের শ্বেত কণিকাগুলোকে নষ্ট করে দেয়৷ ফলে এইচআইভি আক্রমণে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়৷ যার…
Read Moreঅস্টিওআর্থ্রাইটিস
{module Google 486*60} বিভিন্ন ধরনের আর্থ্রাইটিসের মধ্যে সবচেয়ে কমন হচ্ছে- অস্টিওআর্থ্রাইটিস। অন্যনাম ডিজেনারেটিভ আর্থ্রাইটিস। শরীরের বিভিন্ন জয়েন্টে হাড়ের শেষ প্রান্তে যে কার্টিলেজ থাকে তা একটা কুশনের মতো কাজ করে। ক্রমাগত মুভমেন্টের ফলে জয়েন্টর হাড়ের মধ্যে ঘর্ষণ হয়। এই ঘর্ষণের কারণে সম্ভাব্য ক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করে কার্টিলেজ। নানা কারণে এই ক্ষয় হতে হতে এই কার্টিলেজের টোটাল ক্ষতি হয়। এর ফলে অস্টিওআর্থ্রাইটিস হয়, জয়েন্টে ব্যথা হয় ও মাবিলিটি কমতে থাকে। জয়েন্ট মার্জিনে নতুন হাড় তৈরী হয়। অস্টিওআর্থ্রাইটিস স্পাইনে হলে বলা হয় স্পন্ডাইলোসিস। যেমন: ঘাড়ে হলে সারভাইকেল স্পন্ডাইলোসিস বা কোমরে হলে লাম্বার…
Read Moreঠোঁটের পরিচর্যা
ঠোঁট হবে আকর্ষণীয়, এটাই সবার কাম্য। কিন্তু ঠোঁট শুষ্ক হয়ে যাওয়ায় চামড়া ওঠা, ফাটাভাব ও কালচে হওয়া খুবই নিয়মিত সমস্যা। ঠোঁট মিউকাস মেমব্রেন দ্বারা আবৃত। ঠোঁটের ত্বক খুবই নরম ও সেনসেটিভ। ঠোঁটে কোনও তেলগ্রন্থি’ থাকে না। তাই বাইরের আবহাওয়া থেকে নিজেকে রক্ষা করা ঠোঁটের জন্য বেশ কঠিন। ঠাণ্ডা-গরম, সূর্যরশ্মি, দূষণ সবই ঠোঁটের জন্য ক্ষতিকর। এছাড়া ঠোঁট কামড়ানো বা জিভ দিয়ে ঠোঁট বারবার ভেজানোও ক্ষতিকর। অপ্রয়োজনীয় প্রসাধন অপ্রয়োজনীয় প্রসাধন ঠোঁটকে শুষ্ক করে তোলে। সাময়িক সৌন্দর্যের জন্য প্রয়োজনীয় প্রসাধন ব্যবহার করবেন না। টুথপেস্ট টুথপেস্ট আমাদের ঠোঁটের সংস্পর্শে আসে দু’বেলা। তাই যথাযথ টুথপেস্ট…
Read Moreসাইকেল চালানো ভাল ব্যায়াম
সাইকেল অর্থাৎ বাইসাইকেল চালানো হাঁটা এবং সাঁতার কাটার মত একটি উৎকৃষ্ট ব্যায়াম। নিয়মিত সাইকেল চালানো শরীরের জন্য খুবই উপকারী। এতে রক্তের কলেস্টেরলের মাত্রা কমে। রক্তচাপও কমে। সপ্তাহে ৩৫ কিলোমিটারের মত পথ সাইকেল চালালে করোনারি হৃদরোগের সম্ভাবনা কমে যায় ৫০ শতাংশেরও বেশি। নিয়মিত সাইকেল চালানো শরীরের ওজন কমাতে সহায়ক। সাইকেল চালালে শরীরের জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া বৃদ্ধি পায়। ঘন্টায় মোটামুটি ২০ কিমি. গতিতে সাইকেল চালালে প্রতি ঘন্টায় প্রায় ৫০০ থেকে ৫৫০ ক্যালরি শক্তি খরচ হয়। ২০০৭ সালে ব্রিটিশ জার্ণাল অব স্পোর্টস মেডিসিনের এক গবেষণার কথা এটি। এত এনার্জি খরচ হয় বলে নিয়মিত…
Read More