ডা. জিল্লুর কামাললেখকঃ সহকারী অধ্যাপক, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা।মোবাঃ ০১৭১১৮১৯৫৩৭, ০১৮১৯২২৬৭০৮ (bdhealth.blogspot.com থেকে সংকলিত) সন্তান প্রসব একজন নারীর জীবনে অতি কাঙ্ক্ষিত ব্যাপার। প্রসবের সাথে সাথে নারী দীর্ঘদিনের গর্ভধারণে পরিবারের সাথে গর্ভকালীন নানা দৈহিক হরমোনাল পরিবর্তনের পরিসমাপ্তি ঘটে। প্রসব করার কাজটিও বেশ পরিশ্রমের। সন্তান প্রসবের পর পর মায়ের দেহে দ্রুত পরিবর্তন ঘটায় তার মধ্যে কিছু শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতা দেখা দেয়। এ সময়ের মানসিক অসুস্থতাগুলোকে তিনটি ভাগে বর্ণনা করা যায়।১. মেটারনিটি ব্লু২. পারপিউরাল সাইকোসিস৩. পোস্ট পার্টাম ডিপ্রেশন১. মেটারনিটি ব্লুঃ শতকরা ৫০-৭০ ভাগ মা এ সমস্যায় ভোগেন। প্রসবের তিন-চার…
Read Moreমেয়েদের প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া
তাহমিনা হক জয়াবাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ। মেয়েদের স্বাস্থ্য সমস্যার প্রধান একটি সমস্যা প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া। প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করার প্রধান জীবাণুটি হলো ব্যাকটেরিয়া। তবে ছত্রাক এবং ভাইরাসও এ ধরনের প্রদাহ ঘটায়। মেয়েদের মূত্রনালী পায়ুপথের খুব কাছে থাকে বলে সহজেই জীবাণু প্রবেশ করতে পারে। ই-কলাই নামক জীবাণু শতকরা ৭০-৮০ ভাগ প্রস্রাবের প্রদাহের কারণ। অনেক সময় যৌন সঙ্গমের কারণেও জীবাণু মূত্রনালীতে প্রবেশ করে। এসব জীবাণু মূত্রনালীপথে মূত্রথলিতে ও কিডনিতে প্রবেশ করে। এড়্গেত্রে শুধু প্রস্রাবে জ্বালাপোড়াই করে না, বার বার প্রস্রাবের বেগ হয়, ফোঁটায় ফোঁটায় প্রস্রাব পড়ে। প্রস্রাবের রঙ ধোঁয়াটে, দুর্গন্ধযুক্ত ও পরিমাণে কম হয়।…
Read Moreকনডম
{module Google 486*60} কনডম হলো ব্যরিয়ার পদ্ধতির জন্মবিরতি করন উপাদান। এর জনপ্রিয়তার কারন যেকোনো সময় এটা ব্যবহার করা যায় এবং এটা সহজলভ্য। কনডমের সবচেয়ে বড় সুবিধা এই যে এটা যৌনবাহিত যেকোনো রোগ থেকে সঙ্গম সময়ে নিরাপত্তা দেয়। এইডস, সিফিলিস, গনোরিয়া, ক্লামাইডিয়া, কন্ডাইলোমা সহ যে কোন যৌন রোগ কনডম ব্যবহারের মাধ্যমে এড়ানো সম্ভব। অনেক পুরুষ আছেন যাদের মিলনের পূর্বেই বীর্যপাত ঘটে (Premature ejaculation) তারা অনেক সময় কনডম ব্যবহারে কিছুটা সুবিধা পেতে পারেন, এছাড়া কিছু মহিলা আছেন যাদের স্বামীর শুক্রানুর প্রতি এলার্জি থাকে, মাস ছয়েক কনডম ব্যবহার করে এই এলার্জি নিয়ন্ত্রন করা…
Read Moreভ্যাসেকটমি
ভ্যাসেকটমি স্থায়ী জন্ম নিয়ন্ত্রনের একটি পদ্ধতি। পুরুষের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়। অন্ডকোষে যে দুইটি শুক্রাশয় (Testes) থাকে তা থেকে ভাস (Vas difference) নামক দুটি পৃথক নালী দিয়ে শুক্রানু বা বীর্য পুরুষাঙ্গের শীর্ষে পৌছায়। ভ্যাসেকটমি অপারশনের মাধ্যমে অন্ডকোষের নীচের দিকে খুবই ছোট্ট একটি অংশের চামড়া কেটে ঐ ভাস দুটিকে বেধে কেটে দেয়া হয়। এর ফলে বীর্যপাতের সময় বীর্য রস (Semen) আসলেও তাতে কোনো শুক্রানূ (Sperm) থাকেনা ফলে যৌন মিলন ঘটলেও স্ত্রীর গর্ভধারন করার সম্ভাবনা থাকেনা। এটা খুবই ছোট্ট একটা অপারেশন, এর জন্য হাসপাতালে ভর্তি হবার ও প্রয়োজন হয়না। অপারশনের পরপরই এটা…
Read Moreকপার টি
অনেক দম্পত্তির কাছেই রোজ রোজ বড়ি খাওয়া বা কনডম ব্যবহার করা একটা বিরক্তিকর কাজ বলে মনে হয়; আই,ইউ,সি,ডি (কপার টি) তাদের জন্যই ঝামেলাহীন কার্যকরী কম খরচের এক জন্মনিয়ন্ত্রন পদ্ধতি। একবার আই,ইউ,সি,ডি ব্যবহার করলে ১ বছর থেকে ৭/৮ বছর পর্যন্ত অন্য কোনো পদ্ধতি ব্যবহার না করেও জন্মনিয়ন্ত্রন কার্যকর রাখা যায়। আই,ইউ,সি,ডি ইংরেজি অক্ষর T এর মতো দেখতে একটি Device যা মহিলাদের জরায়ুতে যোনিপথ দিয়ে প্রবেশ করানো হয়। বর্তমানে তিন ধরনের আই,ইউ,সি,ডি সহজলভ্য, লিপিস লুপ-কপার টি ও হরমোন নিসৃত করা আই,ইউ,সি,ডি। এর মধ্যে হরমোন নিসৃতকারিটি মাত্র ১ বছর কার্যকর থাকে, অন্য গুলো…
Read Moreটিউবেকটমি বা টিউবাল লাইগেশন
টিউবাল লাইগেশন মহিলাদের স্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রনের একটি পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে মহিলাদের ডিম্বানুর গমন পথকে কেটে পৃথক করে দেয়া হয়। ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বানু ফেলোপিয়ান টিউব (Fallopian tube) এর মাধ্যমে জরায়ুতে আসে, টিউবেকটমি বা টিউবাল লাইগেশন (Tubal ligation) অপারেশন দ্বারা এই টিউব কে বেধে এবং কেটে দিয়ে এই পথ কে বাধাগ্রস্ত করা হয়। যে সকল দম্পতির নুন্যতম দুইটি সম্পুর্ন সুস্থ বাচ্চা আছে এবং যখন স্বামী-স্ত্রী উভয়েরই সম্মতি থাকে তখন টিউবাল লাইগেশন অপারেশন টি করা হয়। সাধারনত বাচ্চা ডেলিভারির পর পর অথবা সিজারিয়ান সেকশন করে বাচ্চা ভুমিষ্ট করার সময় এই অপারেশন করা হয়। তবে…
Read Moreগর্ভপাত করানোর স্বাস্থ্যগত কারন
গর্ভাশয়ের ভ্রুনটি ডিম্বানু নিষেকের পর থেকে পরবর্তী পাঁচ মাসের (২০ সপ্তাহ) মধ্যে যে কোন সময়ে প্রসবের রাস্তা দিয়ে বের হয়ে যাবার নামই গর্ভপাত বা Abortion। বর্তমান বিশ্বে অধিকাংশ গর্ভপাতই হয় ইচ্ছাকৃত ভাবে ভ্রুন নষ্ট করার কারনে। পাঁচ মাস (২০ সপ্তাহ) বয়সের পর শিশুর সকল অঙ্গপ্রত্যঙ্গ গঠনই শেষ হয়ে যায়, তাই এসময়ে ইচ্ছাকৃত গর্ভপাত ঘটানোকে শিশু হত্যা বলাই শ্রেয়তর। তবে এর ব্যতিক্রমও আছে, অনেক সময় মায়ের সন্তানটি ধারন করার ইচ্ছা থাকলেও নিজে নিজে গর্ভপাত (Miscarriage) হয়ে যেতে পারে আবার মায়ের স্বাস্থ্য রক্ষা বা শিশুটিকে চরম দুর্ভাগ্যের (চরম প্রতিবন্ধি) হাত থেকে বাঁচাতেও…
Read Moreশিশুর জন্য মায়ের বুকের দুধ
মায়ের দুধ শিশুর জন্য সবচেয়ে আদর্শ খাবার। ৬ মাস বয়স পর্যন্ত শুশু মায়ের দুধ ই শিশুর প্রয়োজনীয় সকল পুষ্টির যোগান দিতে পারে, এর পর শিশুর খাদ্য হিসেবে অন্য কিছু যোগ করার প্রয়োজন হতে পারে। জন্মের পরপরই শিশুর মুখে চিনির পানি, মধু বা সাদা পানি দেবার বিষয়টি পরিচিত ভ্রান্ত একটি ধারনা। স্বাভাবিক প্রসবের পর মা এবং শিশু সুস্থ থাকলে যতো দ্রুত সম্ভব শিশুকে মায়ের বুকে দুধ খেতে দেয়া উচিত। শিশু যখনই ইচ্ছা প্রকাশ করবে তখনই তাকে দুধ খেতে সূযোগ দেয়া উচিত। মায়ের প্রথম দুধ যা শাল দুধ নামে পরিচিত তা কোনো…
Read Moreগর্ভাবস্থায় মায়ের জন্য কিছু উপদেশ
একজন মহিলা যখন প্রখম বারের জন্য গর্ভধারন করেন তার কাছে অনেক কিছুই অজানা থাকে, এই সামান্য কিছু অজানা তথ্যের জন্য অনেক ধরনের কুসংস্কার মায়ের উপর চাপিয়ে দেয় অনেকেই। এজন্য গর্ভধারনের পরপরই একজন স্ত্রীরোগ চিকিৎসকের স্মরনাপন্ন হওয়া উচিত। এতে যে শুধু মা সুস্থ্য থাকবে তা নয়, গর্ভের শিশুটির নিরাপত্তাও এর সাথে জড়িত। সাধারনভাবে এ সময়টাকে মা’কে অল্প কিছু নির্দেশ মেনে চলতে হয়, নিচে তেমন কিছু নির্দেশ লিপিবদ্ধ করার চেষ্টা করা হলো। ১. খাদ্যঃ মাকে এ সময় পুষ্টিকর, সহজপাচ্য ও অধিক আমিষ বা প্রোটিনযুক্ত খাবার খেতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে খাদ্য তালিকায়…
Read Moreনিবন্ধন
{jform=6ee97}
Read More