এক বিশ্ব এক ঘর এক হৃদযন্ত্র

পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় ঘাতক রোগ যে হৃদযন্ত্রের রোগ, তা এখন বলছেন বিজ্ঞ ও বিশেষজ্ঞজনেরা। প্রতিবছর এক কোটি ৭৩ লাখ লোকের প্রাণ হরণের কারণ হলো হৃদযন্ত্র ও রক্তনালির রোগ।হৃদযন্ত্রের রোগ ও স্ট্রোক—দুটিই ঘাতক রোগ। ঝুঁকিগুলো হলো—উচ্চ রক্তচাপ, উঁচুমান কোলেস্টেরল ও গ্লুকোজ, ধূমপান, ফল ও শাকসবজি কম খাওয়া, শরীরের বেশি ওজন এবং শরীরচর্চা না করা। এ নিয়ে উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা, স্বাস্থ্য সংস্থাগুলোও।এবার ২৯ সেপ্টেম্বর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও বিশ্ব হার্ট ফেডারেশন মিলে এ ব্যাপারে জনসচেতনতা সৃষ্টির উদ্যোগ নিয়েছে। ১০০টির বেশি দেশে তা পালিত হবে বলে ধারণা।স্বাস্থ্য পরীক্ষা, হাঁটার কর্মসূচি, দৌড় ও ফিটনেস…

Read More

ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য মেথি

মেথিকে মসলা, খাবার, পথ্য—তিনটাই বলা চলে। মেথির স্বাদ তিতা ধরনের। এতে রয়েছে রক্তের চিনির মাত্রা কমানোর বিস্ময়কর শক্তি। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে মেথি চিবিয়ে খেলে বা এক গ্লাস পানিতে মেথি ভিজিয়ে রেখে সেই পানি খেলে শরীরের রোগ-জীবাণু মরে, বিশেষত কৃমি মরে, রক্তের চিনির মাত্রা কমে। রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বা চর্বির মাত্রা কমে যায়। এই গরমে ত্বকে যে ঘা, ফোড়া, গরমজনিত ত্বকের অসুখ হয়, এই অসুখগুলো দূর করে মেথি। বার্ধক্যকে দূরে ঠেলে দিয়ে তারুণ্যকে দীর্ঘস্থায়ী করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে মেথি। গবেষণা করে দেখা গেছে, যে ডায়াবেটিক রোগীরা নিয়মিত মেথি খান, তাঁদের…

Read More

বিকল কিডনির জন্য ডায়ালাইসিস

আমাদের শরীরের কোনো অঙ্গ বা প্রত্যঙ্গ যতক্ষণ না স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় বিঘ্ন ঘটায়, সে পর্যন্ত সাধারণত আমরা সেটির কার্যক্রম জানতে পারি না। সেই প্রত্যঙ্গের কার্যকরতা বিঘ্নিত হলে কারণটি অপসারণের চিকিৎসা-সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থা নিতে হয়। এ রকম একটি প্রত্যঙ্গ হচ্ছে কিডনি। শরীরের নিম্নাঙ্গের অভ্যন্তরে পিঠের দিকে বাঁ ও ডান পাশে কিডনি দুটির অবস্থান। এই কিডনির কার্যকরতা নানা কারণে বিঘ্নিত হতে পারে। কার্যকরতা অবাধ রাখার জন্য যে চিকিৎসাভিত্তিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়, তাকে বলা হয় ডায়ালাইসিস। কার্যকরতাপ্রথমে সবাইকে জানতে হবে দুই কিডনির প্রয়োজনীয়তা বা শরীর যন্ত্র চালু রাখতে ডায়ালাইসিসের কী ভূমিকা রয়েছে। কিডনির কাজ…

Read More

ফিজিওথেরাপি : কী কেন এবং কীভাবে

ফিজিওথেরাপি ফিজিও (শারীরিক) এবং থেরাপি (চিকিত্সা) শব্দ দুটি মিলে ফিজিওথেরাপি বা শারীরিক চিকিত্সার সৃষ্টি। ফিজিওথেরাপি আধুনিক চিকিত্সা বিজ্ঞানের এক অন্যতম এবং অপরিহার্য শাখা। একজন ফিজিওথেরাপি চিকিত্সক স্বাধীন এবং স্বতন্ত্রভাবে রোগীর বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা (প্রধানত বাত-ব্যথা, আঘাতজনিত ব্যথা, প্যারালাইসিস ইত্যাদি) নির্ণয় সহকারে পরিপূর্ণ চিকিত্সা সেবা প্রদান করে থাকেন। ফিজিওথেরাপির সূচনা ফিজিওথেরাপি চিকিত্সা নতুন কোনো চিকিত্সা পদ্বতি নয়। প্রাচীন গ্রিসে হিপোক্রেটাস ম্যাসাজ ও ম্যানুয়াল থেরাপি দ্বারা ফিজিওথেরাপি চিকিত্সার সূচনা করেছিলেন। খ্রিস্টপূর্ব ৪৬০ সালে হেক্টর ফিজিওথেরাপি চিকিত্সার একটি শাখা ব্যবহার করতেন যাকে বর্তমানে হাইড্রোথেরাপি বলা হয়। তথ্য-উপাত্ত অনুসারে ১৮৯৪ সালে ফিজিওথেরাপি চিকিত্সার বর্তমান…

Read More

শিশুর দাঁতের যত্ন

এক. কখন থেকে যত্ন নেওয়ার শুরুদাঁত না ওঠার অর্থ এই নয় যে এগুলো ওখানে নেই। গর্ভকালীন দ্বিতীয় ত্রৈমাসিক সময়ে দাঁত গঠিত হতে শুরু করে। জন্মের সময়ে শিশুর মাড়িতে ২০ প্রাইমারি দন্ত থাকে তার অনেকগুলো চোয়ালে পরিপূর্ণভাবে গজিয়ে যায়। সুতরাং প্রথম দন্ত কৌমুদী প্রস্ফুটনের আগে শিশুর দাঁতের পরিচর্যা করা উত্তম।শিশুকে খাওয়ানোর পরে পরিচ্ছন্ন জলে পাতলা কাপড় ভিজিয়ে দাঁতের মাড়ি পরিষ্কার করা যায়। এতে ব্যাকটেরিয়া ওখানে জমাট বাঁধতে পারে না। আর যখনই কয়েকটা দাঁত মুকুলিত হবে তখনই দিনশেষে নরম টুথব্রাশ কিংবা গজ পিস দিয়ে তা পরিষ্কার রাখা যায়। দুই. ফ্লুরাইড এবং জলশিশুর…

Read More

ভালোবাসা ও স্বাস্থ্যকুশল

ভালোবাসার নীল চিঠি যে মনের ও শরীরের স্বাস্থ্য উন্নত করে, তা জেনেছেন বিজ্ঞানীরা।অনুগ্রহ করে ভালোবাসার মানুষকে নিজ হাতে চিরকুটে লিখুন ভালোবাসার ছোট্ট লিপি—এ বড় ভালো শরীর ও মনের কুশলের জন্য।শিথিল করার মতো কোনো সংগীত বাজুক লো ভলিউমে। এরপর তেমন পরিবেশে লিখতে শুরু করুন প্রেমলিপি।দুজনে মিলে সুন্দর যেসব সময় কাটিয়েছেন, মজা করেছেন, ভাবুন এসব।এখন প্রবেশ করছেন মনের দুয়ার দিয়ে, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি উন্মোচিত হবে, কৃতজ্ঞতার অনুভব হবে মনে।ভালোবাসার অনুকূল পরিসরে থেকে নিজের মনে আনন্দ-পুলক সঞ্চারিত হবে, তা-ই কেবল নয়, সুখের সেসব স্মৃতি মনের আকাশে উঠবে একে একে আর লেখা হবে চিঠিতে, প্রিয়জনের…

Read More

ব্রণ সমস্যার আধুনিক চিকিৎসা

যৌবনের একটি অবাঞ্ছিত সমস্যার নাম হচ্ছে ব্রণ। সুন্দর মুখশ্রীর ওপর ব্রণ যদি দেখা দেয় তাহলে ছেলে বা মেয়েই হোক, কারোরই মনে স্বস্তি নেই। কোন বয়সে বেশি হয়ঃ ১৩ থেকে ১৮ বছর বয়সে এটি বেশি হয়। তবে ২০ থেকে ৩০ বছর বয়স পর্যন্ত এটি হতে দেখা যায়। টিনএজারদের মধ্যে শতকরা নব্বই ভাগের ক্ষেত্রেই কম অথবা বেশি পরিমাণে এটি হয়ে থাকে। ২০ বছর বয়সের পর থেকে এটি ধীরে ধীরে কমতে থাকে। শরীরের কোথায় হয়ঃ সাধারণত মুখে যেমন গাল, নাক, থুতনি ও কপালে হতে দেখা যায়। তবে শরীরের উপরের অংশে ও হাতের ওপরের…

Read More