স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে আত্ন সচেতনতাই প্রধান হাতিয়ার – ডাঃ মোহাম্মদ মাসুমুল হক

স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে আত্ন সচেতনতাই প্রধান হাতিয়ার – ডাঃ মোহাম্মদ মাসুমুল হক স্তন ক্যান্সার কি? স্তন শরীরের অন্যান্য অংশের মতোই একটি অঙ্গ , যা অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কোষের সমন্বয় এ তৈরী। শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মতোই এই কোষ গুলো পূর্ব নির্ধারিত একটি সুনির্দিষ্ট নিয়মে বিভাজিত হয়। অনেক সময়ে বিভিন্ন কারণে কোষগুলো তাদের এই বিভাজনের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং এই অনিয়ন্ত্রিত বিভাজনের ফলে স্তনে একটি চাকা বা পিন্ড সৃষ্টি হয়, যা টিউমার নামে পরিচিত। এই টিউমার দুই ধরণের হয়, বিনাইন বা ‘ক্ষতিকারক নয়’ এবং ম্যালিগ্ন্যান্ট যা সাধারণ ভাবে ক্যান্সার নামে পরিচিত। স্তনের…

Read More

সেক্সচুয়াল ডিসফাংশনঃ দাম্পত্য জীবনের এক নিঃশব্দ আততায়ী

সেক্সচুয়াল ডিসফাংশনঃ দাম্পত্য জীবনের এক নিঃশব্দ আততায়ী রফিক – উল – আলম স্বপন। দাম্পত্য জীবনে নারী’র সহবাসে অনীহা, মিলনে অনাকাঙ্খা (Female Sexual arousal Disorder) বা পুরুষের যৌনদূর্বলতা এমন বিষয়গুলোকে আমরা অনেকেই খুব একটা পাত্তা না দিলেও, নিজেদের অজান্তেই এক সময়ের ছোট্ট এমন একটি সমস্যা অনেক ক্ষেত্রেই দাম্পত্য জীবনের ঝলমলে জোস্নাস্নাত আকাশ’টিকে অমাবস্যার ঘোর অমানিশায় ছেয়ে ফেলে। অথচ গতিময় জীবনে এধরণের ছন্দ পতন খুব যে অস্বাভাবিক একটি ব্যাপার, মোটেও তা কিন্তু নয় । এটি লজ্জারও কোন বিষয় নয়। এ নিয়ে ভাবনার’ও কিচ্ছু নেই। শুধু মনে রাখতে হবে, এটাও একটা সমস্যা, অনেকাংশেই…

Read More

লিউকোরিয়া

leukorrhea

লিউকোরিয়া হচ্ছে সাদা স্রাব। নারীর যোনি থেকে ক্রমাগত সাদা তরলের ক্ষরণ হলে তাকে লিউকোরিয়া বলা হয়। আমাদের দেশে গ্রামাঞ্চলের নারীদের এই রোগে আক্রান্ত হতে দেখা যায় বেশি। ভারতের উত্তর প্রদেশের নারীরা এই রোগে আক্রান্ত হয় বেশি। লিউকোরিয়ার সাধারণ কারণ-ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ।যোনিতে সেপ্রর ব্যবহার ।রক্তাল্পতা এবং দীর্ঘ সময় অসুস্থ থাকা ।ট্রিকমোনাল ইনফেকশন ।মনিলিয়াল ইফেকশন ।কারভিকটিজ । লিউকোরিয়া প্রতিরোধের কয়েকটি উপায়-সুতির প্যান্টি ব্যবহার করা ।যৌনতায় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ।যৌনমিলনের আগে এবং পরে যৌনাঙ্গ ধৌত করা ।যোনির পিচ্ছিলতা বাড়াতে কেওয়াই জেলি ব্যবহার ।যোনিতে কোনো প্রকার সেপ্র ব্যবহার না করা ।জন্ম নিরোধক পিল সেবনের…

Read More

নারীর একান্ত সমস্যা

আজকে আমরা যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব তা হলো মেয়েদের হাঁচি-কাশির সঙ্গে বেগ ছাড়াই অনিয়ন্ত্রিত প্রস্রাব বেরিয়ে যাওয়ার সমস্যা। চিকিৎসা পরিভাষায় একে বলা হয় ‘ইউরিনারি স্ট্রেস ইনকন্টিনেন্স’। বাংলাদেশের মেয়েদের কত শতাংশ এ সমস্যায় ভুগছে তার সঠিক পরিসংখ্যান না জানা থাকলেও হাসপাতালে এবং ব্যক্তিগত চেম্বারের অভিজ্ঞতা থেকে অনুমেয় যে এ সংখ্যা একেবারে কম নয়। চিরকালীন স্বভাবজাত লজ্জায় আমাদের মেয়েরা যতক্ষণ পারেন সহ্য করেন, আর যেহেতু এটা জীবন সংহারী কোনো অসুখ নয়, তাই সহজে চিকিত্সকের শরণাপন্ন হন না। কিন্তু ধীরে ধীরে জীবনযাপনের মান নেমে আসতে থাকে। স্বাভাবিক অবস্থায় যত প্রবল কাশি আর…

Read More

একটি বিব্রতকর সমস্যা

রুমানা চট্টগ্রাম থেকে বাসে ঢাকা ফিরছিলেন। কুমিল্লায় হাইওয়ে রেস্টুরেন্টে নাশতা করে টয়লেট সেরে নিয়েছিলেন, কিন্তু আধঘণ্টা না পেরোতেই প্রস্রাবের বেগ চাপল। ক্রমেই বেগ বাড়তে লাগল। রুমানা বাসের জানালা দিয়ে অন্ধকারে চোখ রেখে খুঁজতে থাকেন পেট্রলপাম্প, টয়লেটের আশায়। তলপেটে অস্বস্তি অনুভব হচ্ছে, আর বেশিক্ষণ ধরে রাখা কঠিন, অস্থির হয়ে উঠছেন রুমানা। গাড়ি মেঘনা সেতুর টোল প্লাজায় থামতেই চালককে অনুরোধ করে গাড়ি থামান। পাশে ঘুমিয়ে থাকা ভাইকে কিছু না বলেই দ্রুত নেমে প্রায় দৌড়ে পেট্রলপাম্পের টয়লেটে পৌঁছান। প্রস্রাব সেরে বাসে ফিরতেই ভাই অবাক হয়ে জানতে চায় হন্তদন্ত হয়ে নামার কারণ। রুমানা প্রস্রাবের…

Read More

ডিম্বাণু বেরোনোর সময় ব্যথা হওয়া স্বাভাবিক

নারীর প্রজনন অঙ্গগুলোর মধ্যে জরায়ু এবং দুটি ডিম্বাশয়ও অন্তর্ভুক্ত। বয়ঃসন্ধির পর থেকে মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়া (মেনোপোজ) পর্যন্ত গর্ভকাল ছাড়া প্রতিটি নারীর মাসিক চক্র চলতে থাকে। প্রতি মাসে একটির বেশি ডিম্বাণু বড় হতে থাকে এবং মাসের মাঝামাঝি সময়ে একটি পরিণত অবস্থায় স্ফুরিত হয়। ডিম্বাশয় থেকে বের হয়ে আসা ডিম্বাণুটি শুক্রাণু দ্বারা নিষিক্ত হলে ভ্রূণ তৈরি হয়, আর তা না হলে ডিম্বাণুটি ধীরে ধীরে অকার্যকর হয়ে মিলিয়ে যায়। আবার নতুন ডিম্বাণু বড় হতে থাকে। ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণুটি বের হওয়ার সময় কিছুটা তরল পদার্থ বের হয়ে আসে, যা তলপেটের ভেতরে পড়ে তীব্র…

Read More

ডিজমেনোরিয়া – ঋতুকালীন ব্যথা

ব্যথাযুক্ত ঋতুস্রাব—প্রতিকার ও চিকিৎসা ঋতুস্রাব বা মাসিকের সময় তলপেটে কোনো ব্যথা বা কষ্টদায়ক অনুভূতি হয় না, এমন নারীর সংখ্যা কম। পরিমাণগত দিক দিয়ে এ ব্যথা সামান্য থেকে তীব্র যেকোনো মাত্রায় হতে পারে। তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এ ব্যথার পরিমাণ যখন এমন হয় যে তা দৈনন্দিন স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত করে, তখনই কেবল এটাকে অসুস্থতা বা ডিজমেনোরিয়া বলে গণ্য করা হয়। ডিজমেনোরিয়া দুই ধরনের—প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি। প্রাইমারি ডিজমেনোরিয়া সাধারণত ১৮ থেকে ২৪ বছরের তরুণীরা এতে বেশি ভোগেন। এর নির্দিষ্ট কোনো কারণ জানা নেই, তবু কারণ হিসেবে কিছু বিষয়ের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়ে থাকে।…

Read More

জরায়ুমুখের ক্যানসার

জরায়ুমুখের ক্যানসার আজও বাংলাদেশের নারীদের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। নারী ক্যানসার রোগীদের ২৫ শতাংশ অর্থাৎ প্রতি চারজনে একজন এ রোগে আক্রান্ত। উন্নত দেশে কীভাবে এ রোগ নিয়ন্ত্রণে এসেছে? নারীশিক্ষার প্রসার, উন্নত জীবনযাপন, স্বাস্থ্যসচেতনতা সর্বোপরি যুগান্তকারী ‘পেপস স্মেয়ার টেস্ট’ আবিষ্কার। এর ফলে ওই সব দেশে এ রোগের প্রকোপ কমে এসেছে এবং এ রোগজনিত মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে। পেপস স্মেয়ার টেস্ট কী? এটি একটি সহজ পরীক্ষা। জরায়ুমুখ থেকে রস নিয়ে অণুবীক্ষণযন্ত্র দিয়ে পরীক্ষা। এ পরীক্ষা দিয়ে ক্যানসার, ক্যানসার হওয়ার পূর্বাবস্থা ও জরায়ুমুখের অন্যান্য রোগ যেমন প্রদাহ (ইনফ্লামেশন) শনাক্ত করা যায়। এতে কোনো ব্যথা…

Read More

মেয়েদের মুত্রনালির সংক্রমণ

মুত্রনালির সংক্রমণ ও প্রদাহ বলতে সাধারণত মুত্রথলির ও মুত্রদ্বারের সংক্রমণকে বোঝায়, যা সময়মতো চিকিৎসা না করালে মুত্রনালি বা ইউরেটার এবং বৃক্ক বা কিডনির সংক্রমণ ও প্রদাহে রুপ নিতে পারে। মুত্রনালির সংক্রমণ খুব বেশি দেখা দেয় মেয়েদের মধ্যে। কারণ, মেয়েদের ক্ষেত্রে মুত্রদ্বার ও যোনিপথ খুব কাছাকাছি অবস্হান করে। মেয়েদের যোনিপথে নানা কারণে সংক্রমণ ও প্রদাহের সৃষ্টি হয় খুব সহজেই। যেমন ধরুন মাসিক ঋতুস্রাবের সময় যোনিপথে রক্তক্ষরণ হয় এটা একটা স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় ব্যাপার। কিন্তু রক্তে ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণুর বংশবৃদ্ধির জন্য খুবই উপযুক্ত মাধ্যম। মাসিক ঋতুস্রাবের সময় অনেকক্ষেত্রে মেয়েরা ময়লা, ছেঁড়া ও নোংরা…

Read More

নারীদের চুল পড়া

নারীদের চুল পড়া একটি অস্বস্তিকর সমস্যা। পুরুষদের যেভাবে টাক পড়ে সেভাবে চুল না ঝরে পড়লেও নারীদের চুল পাতলা হয়ে যাওয়ার প্রবণতা খুব বেশি। আমাদের সমাজে সুন্দর স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুল না হলে নারীদের সুন্দরী বা সুশ্রী বলা মুশকিল। অল্প বয়সে চুল না ঝরে পড়লেও বয়স বাড়ার সাথে সাথে চুল পড়ে যাওয়ার সম্মুখীন হন নারীরা। নানা কারণে মেয়েদের চুল পড়তে পারে- হরমোন হরমোনের তারতম্যের কারণে চুল পড়া একটি প্রধান সমস্যা। হাইরয়েড হরমোনোর তারতম্যের কারণে চুল পড়ে। এ ছাড়া ইস্ট্রোজেনের কারণেও চুল পড়তে পারে। তবে হরমোনজনিত সমস্যায় চিকিৎসা করালে চুল পড়া বন্ধ হয়। সন্তান…

Read More