শিশুর জন্য মায়ের বুকের দুধ

মায়ের দুধ শিশুর জন্য সবচেয়ে আদর্শ খাবার। ৬ মাস বয়স পর্যন্ত শুশু মায়ের দুধ ই শিশুর প্রয়োজনীয় সকল পুষ্টির যোগান দিতে পারে, এর পর শিশুর খাদ্য হিসেবে অন্য কিছু যোগ করার প্রয়োজন হতে পারে। জন্মের পরপরই শিশুর মুখে চিনির পানি, মধু বা সাদা পানি দেবার বিষয়টি পরিচিত ভ্রান্ত একটি ধারনা। স্বাভাবিক প্রসবের পর মা এবং শিশু সুস্থ থাকলে যতো দ্রুত সম্ভব শিশুকে মায়ের বুকে দুধ খেতে দেয়া উচিত। শিশু যখনই ইচ্ছা প্রকাশ করবে তখনই তাকে দুধ খেতে সূযোগ দেয়া উচিত। মায়ের প্রথম দুধ যা শাল দুধ নামে পরিচিত তা কোনো…

Read More

গর্ভাবস্থায় মায়ের জন্য কিছু উপদেশ

একজন মহিলা যখন প্রখম বারের জন্য গর্ভধারন করেন তার কাছে অনেক কিছুই অজানা থাকে, এই সামান্য কিছু অজানা তথ্যের জন্য অনেক ধরনের কুসংস্কার মায়ের উপর চাপিয়ে দেয় অনেকেই। এজন্য গর্ভধারনের পরপরই একজন স্ত্রীরোগ চিকিৎসকের স্মরনাপন্ন হওয়া উচিত। এতে যে শুধু মা সুস্থ্য থাকবে তা নয়, গর্ভের শিশুটির নিরাপত্তাও এর সাথে জড়িত। সাধারনভাবে এ সময়টাকে মা’কে অল্প কিছু নির্দেশ মেনে চলতে হয়, নিচে তেমন কিছু নির্দেশ লিপিবদ্ধ করার চেষ্টা করা হলো। ১. খাদ্যঃ মাকে এ সময় পুষ্টিকর, সহজপাচ্য ও অধিক আমিষ বা প্রোটিনযুক্ত খাবার খেতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে খাদ্য তালিকায়…

Read More

ভেরিকোস ভেইন

এটা শিরার (রক্তনালী) একটি রোগ। শরীরের কোনো অংশের শিরা যদি প্রসারিত হয়ে যায় অর্থাৎ দৈর্ঘে ও প্রস্থে বড় হয়ে যায় তাকে ভেরিকোস ভেইন বলে। শতকরা প্রায় ২০ মানুষই এই রোগে আক্রান্ত। সাধারণত পা এবং হাতের শিরায় এই রোগটি বেশী হতে দেখা যায় তবে শরীরের যে কোনো স্থানের শিরায় ই এই রোগটি হতে পারে। ভেরিকোস ভেইন রোগটি হবার নানাবিধ কারন আছে, সাধারনত ভেইন বা শিরার ভাল্ভ নষ্ট হয়ে যাবার কারনে এই রোগটি হয়। তবে শিরায় ইনফেকশন হলে, গর্ভাবস্থায়, পেটে টিউমার হলে বা পানি জমলে, পেশাগত কারনে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে (ট্রাফিক…

Read More

ডিভিটি – ডিপ ভেইন থ্রম্বোসিস

অনেক সময় বয়স্ক মানুষের পা হঠাৎ করে ফুলে ব্যথা শুরু হয়, লাল হয়ে যেতে শুরু করে এবং নড়াচড়া বন্ধ হয়ে যায়। বাড়তে বাড়তে অনেক সময় ব্যথা অসহনীয় পর্যায়ে চলে যায়। এমন একটি রোগের নামই ডিভিটি বা ডিপ ভেইন থ্রম্বোসিস। যারা উড়োজাহাজে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন তাদের অনেকেরও এমনটি হতে পারে। ইকোনোমি ক্লাশের যাত্রীদের এ রোগটি বেশী হয় বলে একে ইকোনোমি ক্লাশ সিনড্রম (Economy class syndrome) ও বলা হয়। এখানে বলে রাখা ভালো ডিভিটি মানুষের শিরার (রক্তনালী) একটি রোগ। আমাদের শরীরে দুই ধরনের শিরা আছে, একদল থাকে শরীরের উপরিভাগে -চামড়ার নীচে…

Read More

জন্ডিস

সত্যিকার অর্থে জন্ডিস কোনো রোগ নয়, এটা রোগের একটা উপসর্গ। জন্ডিস সম্বন্ধে কম বেশী সবাই কিছু না কিছু জানে। এ রোগে চোখের সাদা অংশ, হাত-পা এর তালু, মুখমন্ডল থেকে শুরু করে সমস্ত শরীরই হলুদ বর্ণের হয়ে যেতে পারে। সেই সাথে দুর্বলতা, গা ম্যাজ ম্যাজ করা, বমি বমি ভাব, রুচিহীনতা, পায়খানার রঙ ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া, শরীর চুলকানো সহ নানা উপসর্গ থাকাটা জন্ডিস এর নিত্য সঙ্গী। রক্তে বিলিরুবিন এর মাত্রা বেড়ে গেলে জন্ডিস হয়। রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার অনেকগুলো কারন আছে তাই জন্ডিস হবার কারনও অনেকগুলো। রক্তকণিকা অতিরিক্ত পরিমান ভেঙ্গে যাওয়া,…

Read More

পিত্তনালিতে ক্রিমি

আমাদের দেশের প্রায় সব মানুষই কোনো না কোনো সময় কৃমি (Worm, helminthiasis) রোগে ভুগে থাকেন। এসব ক্রিমির মধ্যে গোল কৃমি (Round worm, Ascaris lumbricoides) অন্যতম। এই গোল কৃমি একসময় চলতে চলতে ক্ষুদ্রান্ত হয়ে পিত্তনালিতে প্রবেশ করতে পারে। এর ফলে আক্রান্ত মানুষের পেটের উপড়ের অংশে তীব্র ব্যথা হয় এবং মানুষটি সাথে সাথে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এর ফলে একসময় পিত্তনালির সরু হয়ে যাওয়া, ঘা হয়ে পুঁজ হয়ে যাওয়া, যকৃত এবং পিত্তথলিতে পুঁজ জমে যাওয়া সহ নানা জটিল পরিস্থিতির আবির্ভাব ঘটতে পারে। তবে কৃমিটি যদি জীবিত অবস্থায় শুধু পিত্তনালির মুখে প্রবেশ করা অবস্থায়…

Read More

পিত্তথলির মিউকোসিল

পিত্তথলিতে কোনো কারনে মিউকাস জমে যদি তা বিশাল বড় হয়ে যায় তাকে মিউকোসিল বলা হয়। সাধারনত পিত্তথলিতে পাথর হলে তার সরু অংশে যদি পাথরটি আটকে যায় তার ফলে এমন রোগ হতে পারে। এছাড়া পিত্তথলিতে টিউমার হলেও এমনটি হতে পারে। এর ফলে পিত্তথলিটি ফুলে এত বড় হয়ে যায় যে তা পেটের উপড়ের অংশে একটা চাকার মত দলা হয়ে দেখা দিতে পারে। এর ফলে রোগীর পেটে ব্যথা হতে পারে। মিউকোসিল এ ইনফেকশন হলে তা এমপায়েমায় পরিণত হতে পারে এবং তারে রোগীর তীব্র জ্বর সহ পেটে ব্যথা এবং দুর্বলতা, বমি বমি ভাব সহ…

Read More

পিত্তথলির ক্যান্সার

পিত্তথলি বা গল ব্লাডার এ পাথর হলে তা অপারেশন করে ফেলে দেয়া হয় এবং অপারেশনের পরপর সাধারনত ঐ পিত্তথলিটির বায়োপসি পরীক্ষা করানো হয়। এ ক্ষেত্রে অনেক সময়ই দেখা যায় যে পাথর ভর্তি গলব্লাডার এ ক্যান্সার হয়ে গেছে। এমনিতে গলব্লাডারে ক্যান্সার হয়ে খুব বেশী রোগী যে ডাক্তার এর কাছে আসেন তা কিন্ত নয় বরং অন্যান্য ক্যান্সারের তুলনায় এই অঙ্গটির ক্যান্সার হবার হার তুলনামুলকভাবে অনেক কম। সাধারনত দীর্ঘ দিন ধরে যারা পিত্তথলির পাথরে ভুগেন বা যাদের পিত্তথলি ক্যালসিয়াম জমে শক্ত হয়ে যায় তাদের মাঝেই এই ক্যান্সার হবার প্রকোপ বেশী। কারো যদি আগে…

Read More

পিত্তথলির পাথর

পিত্তথলিতে পাথর হওয়া আমাদের চারপাশের অতিপরিচিত রোগ গুলোর মধ্যে একটি, আত্মীয়স্বজনের কারো পিত্তথলিতে পাথর হয়নি বা এজন্য গলব্লাডার ফেলে দিতে হয়নি এমন লোক মনে হয় খুঁজে পাওয়া দুস্কর হবে। সত্যিই কি পাথর হয় না এগুলো অন্য কিছু। এসব কি সত্যিকারের পাথরের মতো, কিভাবে ওখানে গেলো ওসব এ জাতীয় নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খায় আমাদের মনে। হ্যাঁ সত্যি সত্যিই পিত্তথলিতে পাথর হয়। কোলেস্টেরল, ক্যালসিয়াম, বিলিরুবিন ইত্যাদির সংমিশ্রনে যে পাথর গুলো পিত্তথলিতে হয় তা দেখতে অনেকটাই রাস্তার পাথরের মতো। এদের কোনোটি ময়লা সাদা, কোনোটি হাল্কা বাদামী আবার কোনোটি একদম কুচকুচে কালো বর্ণের হয়।…

Read More