ঘাড়ের উপর মাথা থাকলে ব্যথাতো হতেই পারে। আর একটু আধটু ব্যথার জন্য নিজে নিজে ওষুধ খেয়ে ফেলাটাও কোন কাজের কথা না। আগে থেকে কিছুটা সতর্ক হলে মাথা ব্যথার মতো ঝামেলা এড়ানো যায় কিন্তু সহজেই। মাছের তেলে মাছ খেতে হবে প্রতি বেলায়। পুষ্টির চাহিদা তো মিটবেই মাথা ব্যথা প্রতিরোধেও কার্যকর মাছ। মাছের তেলে থাকে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। এটিই মূলত মাথা ব্যথার বিরুদ্ধে কাজ করে। মাছের তেলের ক্যাপসুল পাওয়া যায় বাজারে। চিকিৎসকের পরামর্শে নিয়ম করে খেতে পারেন ক্যাপসুলটি। আপেলে রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠেই যারা মাথা ব্যথায় ভোগেন তাদের সমাধান আপেলে। আপেলের…
Read MoreAuthor: sasthabangla
গরমে দই খান
দুগ্ধজাত সব খাবারের মধ্যে দই হলো সবচেয়ে সহজপাচ্য। দুধের সব পুষ্টিগুণ দইয়ের ভেতর থাকে। অনেকে মনে করেন, দই চর্বিবিহীন খাদ্য। আসলে তা নয়, এতে দুধের সমানই চর্বি থাকে। ১০০ গ্রাম টক দই থেকে আমিষ পাওয়া যায় তিন গ্রাম। চর্বি চার গ্রাম ও ৬০ ক্যালরি থাকে। মিষ্টি দইয়ে চিনি মেশানো হয় বলে আরও ৪০ ক্যালরি বেশি পাওয়া যায়। তবে অন্যান্য উপাদান একই থাকে। দুধ পাকস্থলীতে গিয়ে বিশ্লিষ্ট হয় দইয়ে। তাহলে দেখা যাচ্ছে, দুধ পান করার পর দই হয়ে যায় বলে দইকে প্রি ডাইজেস্টেড দুধ বলা যেতে পারে। যাঁদের দুধ হজম হয়…
Read Moreচোখ ভালো রাখতে
চোখের আলাদা করে সত্যিই তেমন একটা যত্ন নেওয়া হয় না। শরীরের এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটি কিন্তু সামান্য যত্নআত্তিতেই নিরাপদ রাখা যায়। সাঁতার সুইমিংপুলে সাঁতার কাটার সময় জল-নিরোধক চশমা পরে নিন। এই বিশেষ চশমা পুলের পানি থেকে চোখকে সুরক্ষা দেয়। সুইমিংপুলের পানিতে ব্যবহূত হয় ক্লোরিন, যা চোখের জন্য সত্যিই ক্ষতিকর। লবণ অতিরিক্ত লবণ শরীরের জন্য ক্ষতিকর। আর যাঁদের উচ্চরক্তচাপ আছে, তাঁদের জন্য লবণ বিষ। চোখে ছানি পড়ার ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয় লবণ। তাই লবণ খেতে হবে পরিমিত। অর্থার্যা তরকারির সঙ্গে যেটুকু লবণ থাকে সেটুকুই। বাড়তি লবণ একদম না। হাঁটা প্রাত্যহিক ব্যায়াম ও হাঁটায়…
Read Moreপানিশূন্যতা দূর করে ডাবের পানি
সূর্যের উত্তাপ বেড়েই চলেছে। ক্লান্তি আর অতিরিক্ত ঘামের জন্য মানুষের শরীর থেকে বের হয়ে যায় প্রয়োজনীয় লবণ। পরিণামে শরীর হয়ে পড়ছে দুর্বল, দেহে পানি ও ক্ষারের সাম্যাবস্থা ভেঙে যাচ্ছে। নিম্নরক্তচাপ বা লো ব্লাড প্রেসার তৈরি হচ্ছে। মানুষ হারাচ্ছে কাজ করার উদ্দীপনা। শরীরের এই পানিশূন্যতা দূর করার জন্য পান করতে হবে প্রচুর পরিমাণে পানি, ফলের রস, তরল খাবার বা ডাবের পানি। এই গরমে ডাবের পানি আপনাকে দেবে কাজ করার দ্বিগুণ শক্তি। কারণ, এতে রয়েছে বহুবিধ ঔষধিগুণ। ডাবের পানি ডায়রিয়ার রোগীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি পথ্য। অতিরিক্ত গরমে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। এ…
Read Moreগরমে ফলের রস
আস্তে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে রোদের তেজ। বাড়ছে গরমও। একটু আধটু পরিশ্রমেই বড্ড ক্লান্ত হয়ে পড়ছে শরীর। তাই তৃষ্ণা মেটাতে সঙ্গী করুন এমন সব ফল আর ফলের রস, যেটি ওষুধেরও কাজ করবে। আপেলের রস আপেলের রস মস্তিষ্কে অ্যাসিটাইলকোলিনের মাত্রা ঠিক রেখে আলঝেইমার থেকে দূরে রাখতে সাহায্য করে। আমাদের মস্তিষ্কে গুরুত্বপূর্ণ একধরনের রাসায়নিক পদার্থ আছে, নাম অ্যাসিটাইলকোলিন। এটি মস্তিষ্কের স্মৃতি অংশের জন্য খুব দরকারি। কোনো কারণে যদি এটির মাত্রা কমে যায়, তাহলে সেই মানুষটি আলঝেইমার রোগে আক্রান্ত হবে। অর্থাৎ, মানুষটি তার ছোট ছোট স্মৃতি হারাবে। এ ক্ষেত্রে আপেলের রস হতে পারে…
Read Moreছোট বাগানেও সুস্বাস্থ্য
মোটে এক চিলতে জায়গা ছাদে বা উঠানে। এতেই হতে পারে সবজি আর পাঁচমিশালি গাছের বাগান। এ বাগানে কাজটা করতে হবে নিজেকেই। এতে পরিশ্রম হবে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। অস্টিওপেরোসিসের ঝুঁকি কমে কাজকর্মে ব্যতিব্যস্ত থাকলে শরীরের ওজন যেমন কমে, তেমনই সুস্বাস্থ্যের জন্যও পরিশ্রম খুব দরকার। আর নিজেই নিজের বাগান তৈরির কাজটুকু করলে শরীরের সুস্থ রাখার জন্য ওই ব্যতিব্যস্ততাটুকু আপনাতেই হয়ে যায়। এতে ভালো থাকে হাড়। এ কারণে শরীরে অস্টিওপেরোসিস রোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। আরকানসাস বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল তরুণ গবেষক তিন হাজার ৩১০ জন বয়স্ক নারী বাগান-মালিকের ওপর গবেষণা করে দেখেছেন,…
Read Moreডায়াবেটিক রোগীদের জন্য মেথি
মেথিকে মসলা, খাবার, পথ্য—তিনটাই বলা চলে। মেথির স্বাদ তিতা ধরনের। এতে রয়েছে রক্তের চিনির মাত্রা কমানোর বিস্ময়কর শক্তি। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে মেথি চিবিয়ে খেলে বা এক গ্লাস পানিতে মেথি ভিজিয়ে রেখে সেই পানি খেলে শরীরের রোগ-জীবাণু মরে, বিশেষত কৃমি মরে, রক্তের চিনির মাত্রা কমে। রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বা চর্বির মাত্রা কমে যায়। এই গরমে ত্বকে যে ঘা, ফোড়া, গরমজনিত ত্বকের অসুখ হয়, এই অসুখগুলো দূর করে মেথি। বার্ধক্যকে দূরে ঠেলে দিয়ে তারুণ্যকে দীর্ঘস্থায়ী করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে মেথি। গবেষণা করে দেখা গেছে, যে ডায়াবেটিক রোগীরা নিয়মিত মেথি খান, তাঁদের…
Read Moreপাতাজুড়ে পাঠকের ডাক্তার
প্রিয় পাঠক, পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী পুরো পাতাজুড়ে আপনার শিশুর সমস্যা নিয়ে পরামর্শদিয়েছেন দেশের খ্যাতনামা শিশুবিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এম কিউ কে তালুকদার।অনেক চিঠি পেয়েছি। একই ধরনের সমস্যাগুলো পুনরাবৃত্তি না করে যথাসম্ভব বেশি চিঠির উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন থাকবে—স্বাস্থ্যকুশল-এ। অধ্যাপক তালুকদারের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন ডা. ইকবাল কবীর সমস্যা: আমার বাচ্চার বয়স ১৫ মাস। সে স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে ও কথা বলতে পারে। মাঝেমধ্যে সর্দিতে আক্রান্ত হয় আবার ভালো হয়ে যায়। সমস্যা হলো, বাচ্চার মাথা বেশ গরম থাকে ও প্রায় সময় তার মাথায় দুই হাত দিয়ে সে আঘাত করে (থাপড় দেয়)। পরবর্তী…
Read Moreমেয়েদের মুত্রনালির সংক্রমণ
মুত্রনালির সংক্রমণ ও প্রদাহ বলতে সাধারণত মুত্রথলির ও মুত্রদ্বারের সংক্রমণকে বোঝায়, যা সময়মতো চিকিৎসা না করালে মুত্রনালি বা ইউরেটার এবং বৃক্ক বা কিডনির সংক্রমণ ও প্রদাহে রুপ নিতে পারে। মুত্রনালির সংক্রমণ খুব বেশি দেখা দেয় মেয়েদের মধ্যে। কারণ, মেয়েদের ক্ষেত্রে মুত্রদ্বার ও যোনিপথ খুব কাছাকাছি অবস্হান করে। মেয়েদের যোনিপথে নানা কারণে সংক্রমণ ও প্রদাহের সৃষ্টি হয় খুব সহজেই। যেমন ধরুন মাসিক ঋতুস্রাবের সময় যোনিপথে রক্তক্ষরণ হয় এটা একটা স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় ব্যাপার। কিন্তু রক্তে ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণুর বংশবৃদ্ধির জন্য খুবই উপযুক্ত মাধ্যম। মাসিক ঋতুস্রাবের সময় অনেকক্ষেত্রে মেয়েরা ময়লা, ছেঁড়া ও নোংরা…
Read Moreনারীদের চুল পড়া
নারীদের চুল পড়া একটি অস্বস্তিকর সমস্যা। পুরুষদের যেভাবে টাক পড়ে সেভাবে চুল না ঝরে পড়লেও নারীদের চুল পাতলা হয়ে যাওয়ার প্রবণতা খুব বেশি। আমাদের সমাজে সুন্দর স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুল না হলে নারীদের সুন্দরী বা সুশ্রী বলা মুশকিল। অল্প বয়সে চুল না ঝরে পড়লেও বয়স বাড়ার সাথে সাথে চুল পড়ে যাওয়ার সম্মুখীন হন নারীরা। নানা কারণে মেয়েদের চুল পড়তে পারে- হরমোন হরমোনের তারতম্যের কারণে চুল পড়া একটি প্রধান সমস্যা। হাইরয়েড হরমোনোর তারতম্যের কারণে চুল পড়ে। এ ছাড়া ইস্ট্রোজেনের কারণেও চুল পড়তে পারে। তবে হরমোনজনিত সমস্যায় চিকিৎসা করালে চুল পড়া বন্ধ হয়। সন্তান…
Read More