বিশ্ব হেপাটাইটিস অ্যালায়েন্স ২০০৮ সালে যকৃতের রোগ নিয়ে যে উদ্যোগ নিয়েছিল এরই ধারাবাহিকতায় ২০১০ সালের ১৯ মে পালিত হচ্ছে তৃতীয় বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস। রোগীদের কল্যাণে রোগীবান্ধব এই উদ্যোগ হলো বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস। এই দিবস পালনের মূল লক্ষ্য হলো হেপাটাইটিস ‘বি’ ও ‘সি’ সম্বন্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা। এ ছাড়া এ ব্যাপারে রাজনৈতিক সমর্থন আদায় করাও এ দিবসের উদ্দেশ্য। বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবসের দীর্ঘ মেয়াদি উদ্দেশ্য হলো নতুন সংক্রমণ রোধ করা এবং হেপাটাইটিস ‘বি’ ও ‘সি’তে আক্রান্ত লোকদের স্বাস্থ্যের সুপরিণতি নিশ্চিত করা। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য বিশ্ব হেপাটাইটিস অ্যালায়েন্স বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের বিশেষজ্ঞ…
Read MoreCategory: রোগ ব্যাধি
লিভারের ক্যানসার
ক্যানসার মানেই আঁতকে ওঠা, আর লিভার হলে তো কথাই নেই। সত্যি বলতে কি, অন্যান্য ক্যানসারের তুলনায় বিশেষ করে, পুরুষদের মধ্যে লিভার ক্যানসারের প্রকোপ একটু বেশিই। শরীরে যতসব ক্যানসার হয়, তার মধ্যে লিভার ক্যানসারের স্থান পাঁচ নম্বরে। আর এ রোগের চিকিৎসা করা না হলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সময় পাওয়া যায় হাতেগোনা কয়েক মাস। এর মূল কারণ লিভার ক্যানসারে রেডিওথেরাপির কোনো ভূমিকা নেই, আর কেমোথেরাপির রেসপন্সও খুব একটা আশাপ্রদ নয়। তবে এতসব হতাশার গান গাওয়ার জন্য এই লেখা নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রযাত্রায় লিভার ক্যানসারের চিকিৎসায়ও অগ্রগতি হয়েছে। আর এ বিষয়ে আলোকপাতই এ লেখার…
Read Moreহেপাটাইটিস বি চিকিৎসায় দেশি চিকিৎসকদের সাফল্য
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের হেপাটোলজি বিভাগের কয়েকজন চিকিৎসক হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের চিকিৎসায় উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছেন। বিশ্বে এই প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ নতুন ধরনের ওষুধ ব্যবহার করে তাঁরা এই সাফল্য অর্জন করেন। বিএসএমএমইউ-এর লিভার বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মামুন-আল-মাহতাব জানান, তাঁরা তাঁদের এই নতুন ওষুধটি প্রয়োগ করে ৬০ শতাংশরও বেশি রোগীর ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করেছেন। বর্তমানে এই চিকিৎসায় খরচ পড়বে মাত্র পাঁচ হাজার টাকা। আর ভবিষ্যতে ওষুধটির বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হলে তা আরও কমে আসবে। অথচ বর্তমানে হেপাটাইটিস বি-র বিরুদ্ধে অন্য যে ইমিউন মডুলেটিং ওষুধটি আছে, সেই পেগাইলেটেড ইন্টারফেরন দিয়ে চিকিৎসা…
Read Moreযৌন ইনফেকশন
সাধারণত যৌন ইনফেকশনের জন্য যৌন সংসর্গ দায়ী। মুখে ও যৌনাঙ্গে শরীরের স্পর্শকাতর কোথাও যৌন সংক্রামক ব্যাধি থেকে থাকলে তা অপরকে আক্রান্ত করে থাকে সাধারণত পাঁচটি যৌন অসুখ পৃথিবীতে দেখতে পাওয়া যায়। এর মধ্যে সিফিলিস এবং গনোরিয়া প্রধান। এ ছাড়াও স্যাক্রয়েড, লিম্ফগ্রানোলোমা বেনেরাস এবং গ্রানোলোমা ইনজিনুয়াল অপর কিছু যৌনরোগ। নারীদের যৌন সংক্রামক রোগ হয় সাধারণত বহুগামিতার ফলে। অপরদিকে সমকামিতা এবং পতিতা সহবাসের জন্য পুরুষের যৌন সংক্রামক রোগ হতে পরে। নারী পুরুষ উভয়ের জন্য যৌন সংক্রামক রোগ যৌন জীবনের জন্য খুব ঝুঁকিপূর্ণ । নারী স্বাস্থ্যের ব্যাপারে আলোচনায় যৌন সংক্রামক নানা বিষয়ে আলোচনা…
Read Moreহেপাটাইটিস বি
ঘাতক ব্যাধি এইচআইভি/এইডসের কথা আজ আর কারো অজানা নয়। গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণার কারণে এ বিষয়ে অনেক সচেতনতার সৃষ্টি হয়েছে। গত নভেম্বর মাসে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে প্রাপ্ত সমীক্ষায় বর্তমানে পৃথিবীতে ৩৩·২ মিলিয়ন নারী-পুরুষ এইচআইভি/এইডসে আক্রান্ত বলে জানা যায়। এইচআইভিতে আক্রান্ত মহিলার সংখ্যা হচ্ছে ১৫·৪ মিলিয়ন আর নিষ্পাপ শিশুর সংখ্যা প্রায় ২·৫ মিলিয়ন। ২০০৭ সালের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ২·৫ মিলিয়ন নারী-পুরুষ নতুন করে এইচআইভিতে আক্রান্ত হয় আর এ বছর এইডসের কারণে মৃত্যুর সংখ্যা হচ্ছে ২·৪ মিলিয়ন। ১৯৮১ সালে প্রথম মানব দেহে এইচআইভি ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ার পর এ পর্যন্ত মোট…
Read Moreসিফিলিস
সিফিলিস মারাত্নক যৌনরোগ। এর ফলে অন্ধত্ব, প্যারালাইসিস এবং মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। অধিকাংশ সময় সিফিলিস পুরুষের লিঙ্গ থেকে নারীর যোনিতে অথবা নারীর যোনি থেকে পুরুষের লিঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে। কোনো কোনো সময় এটি মুখ থেকে বা মলাসয়ের মাধ্যমেও ছড়াতে পারে। সিফিলিসের চিকিৎসা খুব একটি জটিল নয়। অনেক সময় উপসর্গহীন সিফিলিস হতে পারে। পেনিসিলিন ইনজেকশন বা অন্যান্য এন্টিবায়োটিক হলো এর প্রধান চিকিৎসা। প্রথম স্তনে সিফিলিস- প্রথম পর্যায়ে সিফিলিস হলো সাধারণত যে উপসর্গগুলো লক্ষণীয় হয় সে গুলো হলো ১০ থেকে ৮০ দিনের মধ্যে শরীরের র্যাশ – পায়ুর কাছে র্যাশ – স্তনবৃন্তে র্যাশ- ৪…
Read Moreযৌন সংক্রামক রোগ
যৌন সংক্রামক রোগ হলো অন্যের শরীরের স্পর্শে নিজের দেহে মারাত্নক ধরনের জীবাণুর আক্রমণ। বহু ক্ষেত্রে যৌন সংক্রামক রোগের সঠিক কোনো চিহ্ন এবং উপসর্গ থাকে না। একজন পুরুষ অথবা একজন নারী কাজেই বুঝতে পারে না তারা আদৌ যৌন সংক্রামক কোনো রোগে আক্রান্ত কিনা। একটি দেশে বা সমাজে যৌন রোগে আক্রান্ত রোগিদের প্রকৃত সংখ্যা কত তা কখনো সঠিকভাবে নির্ণয় করা যায় না । আমাদের দেশে অধিকাংশ নারী যৌন নানা সমস্যায় ভুগে থাকে তবে যৌন রোগে নয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে যে সব নারী পতিতাবৃত্তির সাথে জড়িত তাদের যৌন সংক্রামক রোগের সম্ভবনা থাকে…
Read Moreরোগের নাম শ্যানক্রয়েড
শ্যানক্রয়েড হলো একটি যৌনবাহিত সংক্রমণ। এর বৈশিষ্ট্য হলো যৌনাঙ্গে যন্ত্রণাদায়ক ঘা। যৌন সংসর্গের মাধ্যমে শ্যানক্রয়েড একজন থেকে আরেকজনে ছড়ায়। কারণ শ্যানক্রয়েড একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ। এ রোগের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়ার নাম ‘হিমোফাইলাস ডুকরে।’ রোগটি সাধারণত উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বেশি দেখা যায়। এটার সাথে বাণিজ্যিক যৌনকর্মী ও তাদের খদ্দেরদের সম্পর্ক রয়েছে। পশ্চিমা দেশগুলোতে সংক্রমণের হার কম। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখা গেছে যাদের শ্যানক্রয়েড হয়েছে তারা ইতঃপূর্বে কোকেন ব্যবহার করেছেন এবং পতিতালয়ে গেছেন। খৎনা করানো পুরুষদের চেয়ে খৎনা না করানো পুরুষদের শ্যানক্রয়েড আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তিনগুণ বেশি। শ্যানক্রয়েডের রোগীদের এইডস হওয়ার ঝুঁকি থাকে। উপসর্গ…
Read Moreশ্বাসতন্ত্র বিকল হলে
মেকানিক্যাল ভেন্টিলেশন ব্যবহার করে শ্বসতন্ত্রের বৈকল্য বা রেসপিরেটরি ফেইল্যুর রোগীকে বাঁচানো হয়। মারাত্মক জটিল হাঁপানী, ক্রনিক ব্রংকাইটিস সহ ভয়ংকর ধরনের আঘাতজনিত কারণে এই শ্বাসতন্ত্রের বৈকল্য ঘটতে পারে। তখন জীবন বাঁচানোর সর্বশেষ প্রচেষ্টা নেয়া হয় মেকানিক্যাল ভেন্টিলেশনের সাহায্য নিয়ে। ভেন্টিলেটর কাজ করে দু’ভাবে; যেমন গ্যাসকে ফুসফুসের ভেতরে পাম্প নিয়ে (যাকে পজেটিভ প্রেসার মেশিন বলে) অথবা বুকের চারদিকে একটি ঋণাত্বক চাপ সৃষ্টিও করে যাতে শ্বাস নেয়া যায়। বেশীর ভাগ পজেটিভ প্রেসার মেশিনে গ্যাসকে প্রদান করা হয় রোগীর কাছে একটি নন কিং টিউব দিয়ে যাকে ইন্সপিরেটরি লিম্ব বলে। গ্যাসগুলোকে তাপ দেয়া এবং আর্দ্র…
Read Moreফুসফুস : শরীরের বেলুন
ফুসফুস শ্বাস-প্রশ্বাসের কাজে সাহায্য করে। আমাদের বুকের বাঁ দিকে রয়েছে হৃৎপিণ্ড। হৃৎপিণ্ডের দুপাশে এদের অবস্থান। এরা সংখ্যায় এক জোড়া। পেটের ওপর থেকে বুকের সামনের দিকে এদের বিস্তৃতি। আমাদের মেরুদণ্ডের সঙ্গে অসংখ্য ছোট হাড় যুক্ত আছে বুকের সামনের দিকে। এই হাড়গুলোর সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে বক্ষপিঞ্জর। বক্ষপিঞ্জরের মধ্যেই ফুসফুসের অবস্থান। বক্ষপিঞ্জরের ছোট হাড়গুলো ফুসফুসকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করে। ফুসফুস লালচে বাদামি বর্ণের। অর্ধকোণাকৃতির বেলুনের মতো এদের গঠন। এদের দেহ স্পঞ্জের মতো। আমরা পরিবেশ থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড মিশ্রিত বাতাস নিই। সেই বাতাস নাকের মাধ্যমে ট্রাকিয়ায় (গলার ভেতরে অবস্থিত) যায়। ট্রাকিয়া থেকে ফুসফুসে…
Read More