শ্যানক্রয়েড হলো একটি যৌনবাহিত সংক্রমণ। এর বৈশিষ্ট্য হলো যৌনাঙ্গে যন্ত্রণাদায়ক ঘা। যৌন সংসর্গের মাধ্যমে শ্যানক্রয়েড একজন থেকে আরেকজনে ছড়ায়। কারণ শ্যানক্রয়েড একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ। এ রোগের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়ার নাম ‘হিমোফাইলাস ডুকরে।’ রোগটি সাধারণত উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বেশি দেখা যায়। এটার সাথে বাণিজ্যিক যৌনকর্মী ও তাদের খদ্দেরদের সম্পর্ক রয়েছে। পশ্চিমা দেশগুলোতে সংক্রমণের হার কম। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখা গেছে যাদের শ্যানক্রয়েড হয়েছে তারা ইতঃপূর্বে কোকেন ব্যবহার করেছেন এবং পতিতালয়ে গেছেন। খৎনা করানো পুরুষদের চেয়ে খৎনা না করানো পুরুষদের শ্যানক্রয়েড আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তিনগুণ বেশি। শ্যানক্রয়েডের রোগীদের এইডস হওয়ার ঝুঁকি থাকে। উপসর্গ…
Read MoreAuthor: sasthabangla
ক্যান্সারসহ জটিল রোগ নির্ণয়ে আধুনিক সরঞ্জাম কেনা হচ্ছে
ক্যান্সারসহ জটিল রোগ নির্ণয়ের জন্য আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম কিনছে সরকার। ফলে পিইটি-সিটি পরীৰা ও অন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বাংলাদেশের রোগীদের আর বিদেশে যেতে হবে না। এতে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে। এছাড়া বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বুয়েটসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পারস্পরিক সহায়তায় পোস্ট গ্রাজুয়েট পর্যায়ে চিকিৎসক, পদার্থবিদ ও রসায়নবিদদের উচ্চতর গবেষণা ও নতুন নতুন উদ্ভাবনের ক্ষেত্র সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এজন্য ১২০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। প্রকল্পটি প্রক্রিয়াকরণের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের…
Read Moreশ্বাসতন্ত্র বিকল হলে
মেকানিক্যাল ভেন্টিলেশন ব্যবহার করে শ্বসতন্ত্রের বৈকল্য বা রেসপিরেটরি ফেইল্যুর রোগীকে বাঁচানো হয়। মারাত্মক জটিল হাঁপানী, ক্রনিক ব্রংকাইটিস সহ ভয়ংকর ধরনের আঘাতজনিত কারণে এই শ্বাসতন্ত্রের বৈকল্য ঘটতে পারে। তখন জীবন বাঁচানোর সর্বশেষ প্রচেষ্টা নেয়া হয় মেকানিক্যাল ভেন্টিলেশনের সাহায্য নিয়ে। ভেন্টিলেটর কাজ করে দু’ভাবে; যেমন গ্যাসকে ফুসফুসের ভেতরে পাম্প নিয়ে (যাকে পজেটিভ প্রেসার মেশিন বলে) অথবা বুকের চারদিকে একটি ঋণাত্বক চাপ সৃষ্টিও করে যাতে শ্বাস নেয়া যায়। বেশীর ভাগ পজেটিভ প্রেসার মেশিনে গ্যাসকে প্রদান করা হয় রোগীর কাছে একটি নন কিং টিউব দিয়ে যাকে ইন্সপিরেটরি লিম্ব বলে। গ্যাসগুলোকে তাপ দেয়া এবং আর্দ্র…
Read Moreফুসফুস : শরীরের বেলুন
ফুসফুস শ্বাস-প্রশ্বাসের কাজে সাহায্য করে। আমাদের বুকের বাঁ দিকে রয়েছে হৃৎপিণ্ড। হৃৎপিণ্ডের দুপাশে এদের অবস্থান। এরা সংখ্যায় এক জোড়া। পেটের ওপর থেকে বুকের সামনের দিকে এদের বিস্তৃতি। আমাদের মেরুদণ্ডের সঙ্গে অসংখ্য ছোট হাড় যুক্ত আছে বুকের সামনের দিকে। এই হাড়গুলোর সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে বক্ষপিঞ্জর। বক্ষপিঞ্জরের মধ্যেই ফুসফুসের অবস্থান। বক্ষপিঞ্জরের ছোট হাড়গুলো ফুসফুসকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করে। ফুসফুস লালচে বাদামি বর্ণের। অর্ধকোণাকৃতির বেলুনের মতো এদের গঠন। এদের দেহ স্পঞ্জের মতো। আমরা পরিবেশ থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড মিশ্রিত বাতাস নিই। সেই বাতাস নাকের মাধ্যমে ট্রাকিয়ায় (গলার ভেতরে অবস্থিত) যায়। ট্রাকিয়া থেকে ফুসফুসে…
Read Moreশ্বাসনালীর হঠাৎ প্রদাহ
শ্বাসনালীর হঠাৎ প্রদাহ অসুখ প্রায় সর্বক্ষেত্রেই ব্যাকটেরিয়া অথবা ভাইরাস জীবাণু আক্রমণের ফলে হয়ে যায়। শিশু ও বয়স্করা এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকেন। শ্বাসনালী ও তার শাখা-প্রশাখার ক্ষুদ্র ঝিল্লি আক্রান্ত হওয়াই এ রোগের কারণ। হঠাৎ শ্বাসনালীর প্রদাহ রোগ সাধারণ সর্দি লাগার ফলেই হয়ে থাকে। সর্দি কণ্ঠনালী হতে নিচের দিকে প্রসারিত হয়ে বায়ুনালীগুলোকে আক্রমণ করলেই তার নাম হয় হঠাৎ শ্বাসনালীর প্রদাহ। যে ঋতুতে আবহাওয়া ঘন ঘন পরিবর্তিত হয় অর্থাৎ শরৎকাল ও বসন্তকালের প্রারম্ভেই রোগটি সাধারণত প্রকাশ পায় এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দুর্বল দেহ, উপযুক্ত ও পুষ্টিকর খাদ্য হতে বঞ্চিত এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে…
Read Moreফুসফুসের ফোঁড়া
ফুসফুসের মধ্যে যদি কোনো কারণে পুঁজ জমে তবে তাকে ফুসফুসের ফোঁড়া বলা হয়। ফুসফুসের ফোঁড়া বহুবিদ কারণে সৃষ্টি হতে পারে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে নিউমোনিয়া রোগ ঠিক সময়মতো চিকিৎসা না হলে তা থেকে ফুসফুসে পুঁজ জমে বা ফোঁড়া হতে পারে। কখনো কখনো এ ফোঁড়া থেকে পুঁজ বের হয়ে যেতে পারে তখন শুধু ক্যাভিটি থাকে। নাক, মুখ বা গলায় অপারেশন করার সময় জীবাণু ফুসফুসে ঢুকে ফোঁড়া সৃষ্টি করতে পারে। দেহের অন্য কোনো স্থানের সংক্রামক পীড়ার জীবাণু ফুসফুসে বাহিত হয়ে ফোঁড়া সৃষ্টি করতে পারে। ফুসফুসের ফোঁড়া হঠাৎ বা ধীরে ধীরে শুরু হতে পারে।…
Read Moreকাশি ও শ্বাসকষ্টের সমস্যা
সমস্যাঃ আমার বয়স ২৩ বছর। উচ্চতা পাঁচ ফুট পাঁচ ইঞ্চি, ওজন ৬১ কেজি। আমি বেশ কয়েক বছর ধরে ঠান্ডার সমস্যায় ভুগছি। একটু ঠান্ডা লাগলেই নাক দিয়ে পানি পড়ে, হাঁচি হয়। যখন খুব বেশি ঠান্ডা লাগে তখন শ্বাসকষ্ট, কাশি ও বুকের ভেতর চাপ অনুভব করি। অনেক সময় কাশি ও শ্বাসকষ্টের জন্য রাতে ঘুমাতেও কষ্ট হয়। বছরের এ সময় কষ্টের তীব্রতা বেড়ে যায়। আমার খাবারে কিছুটা অ্যালার্জি আছে। যেমন-চিংড়ি মাছ, ইলিশ মাছ খেলে আমার হাঁচি, কাশি ও শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায় এবং ত্বকে লাল র্যাশ হয়। সমস্যাগুলোর জন্য আমি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেখিয়েছি। কিন্তু…
Read Moreফুসফুস ক্যানসার প্রতিরোধ
পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ফুসফুস ক্যানসার পুরুষের এক নম্বর ক্যানসার। ক্যানসারজনিত মৃত্যুর তালিকার শীর্ষেও ফুসফুস ক্যানসার। সাধারণত ৪৫ বছরের পর থেকে এ রোগে আক্রান্ত হতে দেখা যায়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এ রোগের হারও বাড়তে থাকে। ইদানীং নারীদের মধ্যেও ফুসফুস ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার হার বেড়ে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধূমপান, নেশাজাতীয় দ্রব্য, তামাক পাতা সেবন, দূষিত (বায়ু) পরিবেশে জীবনযাপন এবং অন্যান্য কারণে শ্বাসপ্রণালি ও ফুসফুসের কোষে ক্ষত দেখা দেয়। রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে যায়, রোগজীবাণু আক্রমণ করে। ফুসফুসের নালি-প্রণালিতে প্রদাহ হয়। ফুসফুসের কোষে ক্ষত হতে হতে কোনো একসময় ক্যানসারের সূচনা করে। ফুসফুস…
Read Moreপ্রাকৃতিক ফ্যামিলি প্ল্যানিং
ন্যাচারাল বা প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে ফ্যামিলি প্ল্যানিং করা বেশ সুবিধাজনক। তিনভাবে ন্যাচারাল ফ্যামিলি প্ল্যানিং করা যায়। তার মধ্যে সেফ পিরিয়ড গণনা করে জন্ম নিয়ন্ত্রণ করা অনেক কাপলের জন্য বেশ আকর্ষণীয় মনে হতে পারে। এ পদ্ধতিতে মহিলাদের পিরিয়ডের নিরাপদ সময় গণনা করা হয়। সাধারণত মাসিক শুরু হওয়ার আগের নয়দিন, মাসিকের দিনগুলো এবং মাসিক পরবর্তী চারদিন নিরাপদ সময়ের অন্তর্গত। এ সময়ে দৈহিক মিলন হলেও গর্ভপাত সঞ্চারণের কোনো ঝুঁকি থাকে না। উল্লেখ্য, পিরিয়ডের সময় দৈহিক মিলন ইসলাম ধর্মে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তাছাড়া বৈজ্ঞানিক দিক থেকেও এটা গ্রহণযোগ্য নয়। সে কারণে মাসিক শুরুর আগের নয়দিন এবং…
Read Moreব্রেস্ট ফিডিং ও ফ্যামিলি প্ল্যানিং
সন্তান জন্মদানের পর কিছু হরমোনের প্রভাবে মহিলাদের ডিম্বাণু পরিস্ফুটনের প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়। ফলে আবার গর্ভধারণের সম্ভাবনা থাকে না। যতদিন হরমোনের প্রভাব থাকে ততদিন মা আবার গর্ভধারণের ঝুঁকিমুক্ত থাকেন। একেকজনের ক্ষেত্রে এ প্রভাব একেক দিন পর্যন্ত দীর্ঘায়িত হতে পারে। কতদিন আপনি ঝুঁকিমুক্ত থাকবেন তা নির্ভর করে আপনি কতদিন এবং কতবার আপনার সন্তানকে বুকের দুধ বা ব্রেস্ট ফিড করাচ্ছেন। আমেরিকান কলেজ অব গাইনোকলজিস্টের মতে, এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিংয়ের মাধ্যমে ছয় মাস পর্যন্ত গর্ভধারণ বা প্রেগন্যান্সি প্রতিরোধ করা যায়। উল্লেখ্য, এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং মানে সন্তানকে জন্মের পর থেকে শুরু করে টানা ছয় মাস…
Read More