স্বাস্থ্য সংবাদ

এইচ আই ভি/এইডস প্রতিরোধক অনুমোদন পেতে যাচ্ছে

যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেল প্রথম বারের মত সুস্থ মানব দেহে এইচ আই ভি/এইডস প্রতিরোধক ঔষধ 'ট্রাভাডা' কে সমর্থন জানিয়েছেন।

এই  বিশেষজ্ঞ প্যানেল  ঔষধ নিয়ন্ত্রন কারি সংস্থাকে আবেদন জানিয়েছে যে যারা এইচ আই ভি/এইডস সঙ্ক্রমনের  উচ্চ  ঝুঁকি তে আছে তাদের জন্য 'ট্রাভাডা' ব্যাবহার বৈধ করা হোক।

যুক্তরাষ্ট্রের  ফুড ও ড্রাগ  অ্যাডমিনিসট্রেসন (এফ ডি এ) এই  বিশেষজ্ঞ প্যানেল এর মতামত মানতে বাধ্য নয়, কিন্তু সাধারানত তারা এই  বিশেষজ্ঞ প্যানেল এর মতামত মেনে নেয়।

তবে এই ঔষধ এর বিরধি মানুষের ও অভাব নেই। তাদের যুক্তি হচ্ছে 'ট্রাভাডা' ব্যয়বহুল এবং যদিও এটা একটা কার্যকরী ঔষধ, কিন্তু এর যথেচ্ছ ব্যাবহারে ঔষধ প্রতিরধি  এইচ আই ভি ভাইরাস সৃষ্টি হবার সম্ভাবনা রয়েছে যা পরিস্থিতি কে আরও খারাপ করবে। অনেক হেল্‌থ প্রোফেসনাল মন্তব্য করেছেন যে এইচ আই ভি আক্রান্ত বেক্তিকে ১০০% নিয়মানুবর্তিতার মাদ্ধমে যদি 'ট্রাভাডা' ব্যাবহার করা হয়, তাহলে ৪৪% থেকে ৭৪% রগিদের দেহ থেকে এইচ আই ভি ভাইরাস  নির্মূল সম্ভব। তবে সাধারন মানুষ যারা এখনও  এইচ আই ভি/এইডস এ আক্রান্ত নয়, তারা এতাকে টিকা হিসেবে সেবন করলে অনেকেই দেখা যাবে ঠিক মত এই ঔষধ নিয়ম মেনে সেবন করছে না, যা ভাইরাস  টিকে ঔষধ প্রতিরধি করে তুলতে পারে।

তবে যাই বলা হোক না কেন,  বিশেষজ্ঞ গণ মনে করেন  এইচ আই ভি/এইডস প্রতিরধে এই ঔষধ একটি নতুন যুগের সুচনা করতে যাচ্ছে। ফুড ও ড্রাগ  অ্যাডমিনিসট্রেসন (এফ ডি এ) ১৫ ই জুলাই ২০১২, সাধারন মানুষের (যারা এখনও এইচ আই ভি/এইডস এ আক্রান্ত হননি কিন্তু আক্রান্ত হবের ঝুঁকি তে আছেন) ব্যাবহারের জন্য এই ঔষধের অনুমদন দেবে বলে আশা করা যায়।

সুত্রঃ বিবিসি

 

 

 

এন্টিবায়োটিকের ব্যবহার নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অনুষ্ঠিত হল সেমিনার

এন্টিবায়োটিকের অপারেশনপূর্বক ব্যবহার নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগ ও সেনফি এভেন্টিসের আয়োজনে ১০ এপ্রিল, ২০১২ অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো একটি সায়েন্টিফিক সেমিনার।

'Role of Antibiotic Prophylaxis in Surgical Practice' এই শিরোনামে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন সার্জারি ইউনিট ১ এর ডাঃ শারমিন আক্তার সুমি। সার্জারি ওয়ার্ডে জীবাণু সংক্রমণের হার কমাতে অপারেশনে পূর্বে এন্টিবায়োটিকের ব্যবহার নিয়ে তিনি এই প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

'ডায়েট' কোমল পানীয় ও ওজন বাড়ায়

মুটিয়ে যেতে চান না বলে ডায়েট কোলা খাচ্ছেন? বিশ্বাস করুন ড্যারেন জোন্সও তাই ভাবতেন। আর তাই তিনি প্রতিদিন ডায়েট কোক খেতেন ১৮ ক্যান। সম্প্রতি বৃটিশ ট্যাবলয়েড ডেইলি মেইল-এ জোনসের ছবি ছাপা হয়েছে। তার ওজন এখন ৫০০ পাউন্ড বা প্রায় ২২৭ কেজি।

শুধু জোনস নন, ডায়েট সোডায় আসক্ত আরো কিছু তারকার নাম পাওয়া যায়। এ তালিকায় আছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন, সঙ্গীত শিল্পী ভিক্টরিয়া বেকহাম, এলটন জন, মুভি মোগল হার্ভি উইনস্টাইন এবং জেফরি কাজেনবার্গ। নিউ ইয়র্ক টাইমসে তাদের এ আসক্তি নিয়ে খবরও ছাপা হয়েছে। খ্যাতিমান ডায়েটিশিয়ান আলিশা জায়েডও গতবছর টুইটারে ডায়েট কোকের প্রতি নিজের আসক্তির কথা জানিয়েছেন।

গবেষকরা সোডা মেশানো ডায়েট পানীয়ে স্বাস্থ্য ঝুঁকির প্রমাণ পেয়েছেন। এর ক্ষতিকর প্রভাবে হৃদরোগ, স্ট্রোক কিংবা কিডনিতে সমস্য হতে পারে। এছাড়া ওজন বৃদ্ধি এবং নারীদের ক্ষেত্রে অপরিণত শিশু জন্মদানের আশঙ্কাও বেড়ে যায়। ডায়েট পানীয়ের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এটি নিয়মিত গ্রহণে আসক্তি তৈরি হয়, যেমনটা হয়েছিল ড্যারেন জোন্স-এর বেলায়।

সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত সোডাযুক্ত পানীয় খাচ্ছেন এমন কেউ যদি একদিন পানীয় না খান তবে তার ওজন ২৬ আউন্স কমে যায়। আসক্তির কারণ হিসেবে সোডাযুক্ত কোলায় ক্যাফেইনকে দায়ী করা হচ্ছে। আট আউন্স কোকে ৪৭ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন থাকে।

জার্নাল অফ জেনারেল ইন্টারনাল মেডিসিন মানবদেহে সোডার প্রভাব নিয়ে গবেষণা করেছে। আড়াই হাজার প্রাপ্ত বয়স্ক লোকের ওপর চলে এ গবেষণা। প্রতিদিন সোডা খাওয়ানোর ফলে সেখানকার ৪৩ শতাংশ লোকের হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। গত ৩০ জানুয়ারি প্রকাশিত এ গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়। ২০০৯ সালে হারভার্ডের একদল গবেষক জানিয়েছিলেন, প্রতিদিন দুইয়ের বেশি ক্যান কোলা খেলে এর প্রভাবে কিডনি ৩০ শতাংশ অকেজো হয়ে যায়।

কাজেই সোডা জাতীয় পানীয় সেটি ডায়েট হোক বা প্রচলিত ধরনেরই হোক, সাবধান!

 

সোর্সঃ বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

বার্ড ফ্লুঃ সচেতনতাই প্রতিরোধের মূল অস্ত্র

বার্ড ফ্লু বা এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা সাম্প্রতিক সময়ে একটি উল্লেখযোগ্য আলোচনার বিষয়। ফ্লু বা ইনফ্লুয়েঞ্জাতে আমরা অধিকাংশই কোন না কোন সময়ে আক্রান্ত হয়েছি যা খুব সাধারণ একটা রোগ। পাখিদেরও এমন সাধারণ বার্ড ফ্লু কিভাবে মারাত্নক মানবঘাতি রোগে পরিণত হল এবং এই রোগ থেকে পরিত্রাণের উপায় নিয়েই আমাদের আজকের আয়োজন

 

 

বার্ড ফ্লু কিঃ 

এককথায় বলা যায় বার্ড ফ্লু হচ্ছে পাখিদের ফ্লু। ফ্লু ভাইরাসের অনেক ধরনের উপবিভাগ রয়েছে। এই সাবটাইপ বা স্ট্রেইনগুলো ঘন ঘন তাদের গঠনে পরিবর্তনের মাধ্যমে ভিন্ন ধরনের ভাইরাসের উদ্ভব ঘটায়। এমনই এক ধরনের পাখিদের ফ্লু ভাইরাসকে বার্ড ফ্লু বা এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ এ বলা হয়। এদের মধ্যে H5N1 সাব টাইপ ভাইরাসটাকেই মানুষের জন্য মারনঘাতী বলা হচ্ছে।

আলসারের ব্যাক্টেরিয়া ডায়রিয়া প্রতিরোধ করতে পারে

আলসারের কারণে যাদের পাকস্থলি ব্যাক্টেরিয়ার আস্তানা হয়ে আছে তারা ডায়রিয়াজনিত কিছু অসুখমুক্ত থাকতে পারে।

স¤প্রতি ইসরায়েলের তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা একথা জানিয়েছেন।

তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্যানি কোহেনের নেতৃত্বে একদল গবেষক বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করেন। ৫৯৫ জন ইসরায়েলি সেনার ওপর পরিচালিত গবেষণাটি ‘ক্লিনিক্যাল ইনফেকসাস ডিজিজেস’ নামক একটি সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।

আগের কিছু গবেষণায় জানা গিয়েছিলো, হেলিকোব্যাকটার পাইলোরি নামের ব্যাক্টেরিয়ায় আক্রান্ত হলে ডায়রিয়া সংক্রমণের আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। কিন্তু সা¤প্রতিক গবেষণায় এর বিপরীত ধারণা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা।

প্রকাশিত গবেষণা ফলাফলে কোহেন লিখেছেন, “আমাদের গবেষণায় ডায়রিয়াজনিত সংক্রমণের বিরুদ্ধে হেলিকোব্যাকটার পাইলোরির সক্রিয় ভূমিকা দেখা গেছে।”

উন্নয়নশীল বিশ্বে হে. পাইলোরি খুব সাধারণ একটি ব্যাক্টেরিয়া। তবে আক্রান্তদের খুব কম জনের মধ্যেই এতে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ প্রকাশ পায়। দীর্ঘদিন ধরে যারা এ ব্যাক্টেরিয়ায় আক্রান্ত তাদের পাকস্থলির ক্যান্সার ও অন্যান্য আলসারজনিত রোগ হওয়ার সম্ভবনা আছে।

কোহেনের গবেষক দল যে সেনাদের ওপর গবেষণা চালায় তাদের তিন ভাগের এক ভাগ মাঠ পর্যায়ের প্রশিক্ষণের সময় ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়েছিলো।

প্রশিক্ষণের আগে এই সেনাদের সবার রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। রক্তের এ নমুনা থেকে গবেষকরা জানতে পারেন কে কে দীর্ঘদিন ধরে হে. পাইলোরিতে আক্রান্ত।

প্রশিক্ষণের পর দেখা যায়, যারা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন তাদের ৩২ থেকে ৩৬ শতাংশ হে. পাইলোরিতে আক্রান্ত ছিলেন, কিন্তু অন্য ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণে বা অজানা কারণে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন।

এর বিপরীতে, আগে থেকেই হেলিকোব্যাকটার পাইলোরিতে আক্রান্ত ছিলেন এমন ৫৬ শতাংশের বেশি জন সেনা ডায়রিয়া জানিত কোনো সংক্রমণের শিকার হয়নি।

গবেষকরা হিসাব করেন, যে সেনারা হে. পাইলোরিতে আক্রান্ত এদের অন্তত ৬০ শতাংশের শিগেল্লা ব্যাক্টেরিয়া জনিত ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা কম। এদের এশ্চেরিচিয়া কোলি ব্যাক্টেরিয়া জনিত ডায়রিয়ায়ও আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা কম।

 

সূত্রঃ রয়টার্স, বিডিনিউজ২৪.কম

স্বাস্থ্য বাংলা ২৪ ঘন্টা টি.ভি



আমাদের ডোনেট করুন

Currency:
Amount:
আপনার একটি ক্ষুদ্র দান আমাদের সেবা কে বাচিয়ে রাখতে সাহায্য করবে।
LiveZilla Live Help

সাম্প্রতিক মন্তব্য সমূহ